
বিয়ের বিলম্বে মুমিনের করণীয় কী?
বিয়ের বিলম্বে অনেকে নির্দিষ্ট দোয়া খোঁজেন, কিন্তু ইসলামে এর জন্য কোনো ধরাবাঁধা দোয়া নেই। পরীক্ষায় ধৈর্য ধরে আল্লাহর ফয়সালায় সন্তুষ্ট থাকাই মুমিনের করণীয়। কোরআন, হাদিস ও আলেমদের উক্তি থেকে জানুন বিস্তারিত।

বিয়ের বিলম্বে অনেকে নির্দিষ্ট দোয়া খোঁজেন, কিন্তু ইসলামে এর জন্য কোনো ধরাবাঁধা দোয়া নেই। পরীক্ষায় ধৈর্য ধরে আল্লাহর ফয়সালায় সন্তুষ্ট থাকাই মুমিনের করণীয়। কোরআন, হাদিস ও আলেমদের উক্তি থেকে জানুন বিস্তারিত।

পবিত্র কুরআনের সুরা নাসর মক্কা বিজয়ের সুসংবাদ দিয়ে ইসলামের প্রসার ঘটায় এবং নবী মুহাম্মদ (সা.)-এর বিদায়ের ইঙ্গিত বহন করে। এতে তসবিহ, ইস্তিগফারের নির্দেশ এবং কৃতজ্ঞতার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে। বিজয়ের মুহূর্তে বিনয় ও শুকরিয়ার বার্তা এই সুরার মূল শিক্ষা।

ইবরাহিম (আ.)-এর হিজরত এবং আল্লাহর ‘নিশ্চয়ই আমার জমিন প্রশস্ত’ আয়াতের আলোকে ধর্মীয় স্বাধীনতা ও উৎপীড়নময় পরিবেশ থেকে সরে আসার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে। কোরআনের আয়াত, ইমাম ফখরুদ্দিন রাজি, ইমাম বাগভি এবং তাবেয়িদের ব্যাখ্যা উল্লেখ করা হয়েছে। মুমিনদের জন্য আল্লাহর প্রশস্ত জমিনে ইবাদতের আহ্বান জানানো হয়েছে।

ওহি নাজিলের সময় নবীজি (সা.) কঠোর পরীক্ষার মুখোমুখি হতেন, শীতকালেও তাঁর কপালে ঘাম জমত। ২৩ বছর ধরে ক্রমান্বয়ে অবতীর্ণ কুরআনের এই রহস্য ও তাৎপর্য বোঝায় নবীর উম্মিতা এবং মুজাজার কথা।

বজ্রপাতের প্রচণ্ড শব্দ আমাদের মনে করিয়ে দেয় প্রাচীন ইতিহাসের সেই সব জাতির কথা, যারা অবাধ্যতার কারণে আকাশ থেকে আসা এক মহাগর্জনের মাধ্যমে ধ্বংস হয়েছে।

ঈদের ছুটি শেষ হওয়ার পর খিটখিটে মেজাজ ফিরে আসছে কেন? কোরআন-হাদিসের আলোকে রাগ নিয়ন্ত্রণের কার্যকর উপায়গুলো জানুন। রমজানের ধৈর্য সারা বছর ধরে রাখুন।

অভাবী ঋণগ্রহীতার পাওনা মকুফ করা নফল সদকা হয়, কিন্তু সরাসরি জাকাত হিসেবে গণ্য করা অধিকাংশ আলেমের মতে জায়েজ নয়। বিশেষ শর্তে বিকল্প পথ রয়েছে। কোরআন ও আলেমদের মতামতসহ বিস্তারিত।

কোরআনের সুরা বাকারার ৫৭ নং আয়াতে আল্লাহ হালাল রিজিক গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন। হারাম রিজিক ইবাদতকেও প্রভাবিত করে। আলেমদের মতে হারাম মালের ব্যবহার নিয়ে বিস্তারিত নির্দেশনা রয়েছে, বিশেষ করে পিতার আয় হারাম হলে সন্তানের করণীয়।

রমজানের পর ইবাদতের ধারাবাহিকতা রক্ষায় সঠিক পরিকল্পনা ও মানসিক দৃঢ়তা জরুরি। এখানে ১০টি কার্যকর উপায় তুলে ধরা হয়েছে, যা কোরআন, হাদিস ও সাহাবিদের জীবন থেকে অনুপ্রাণিত। এগুলো অনুসরণ করলে সারা বছর আধ্যাত্মিক আমেজ বজায় থাকবে।

উম্মে সালামা (রা.) কেবল ধর্মীয় বিধানের সমাধানই দিতেন না, সাহাবিরা কোরআনের সঠিক তেলাওয়াতও তাঁর কাছ থেকে শিখতেন। বিভিন্ন মতবিরোধ মীমাংসায় তাঁর প্রজ্ঞাময় ফতোয়া সাহাবিদের নির্ভরযোগ্য পথনির্দেশক ছিল। হাদিসগুলোতে তাঁর ফকিহা ও শিক্ষকতার চমৎকার দৃষ্টান্ত সংরক্ষিত রয়েছে।

ইসলামে মূল্যবান সম্পদের কেনাবেচায় সাক্ষী ও লিখিত চুক্তি রাখা অত্যন্ত জরুরি। এটি মানুষের ভুল, বিস্মৃতি ও মৃত্যুকালীন জটিলতা থেকে রক্ষা করে। কোরআনের সুরা বাকারার ২৮২ নম্বর আয়াতে এর বিস্তারিত নির্দেশনা রয়েছে।

উম্মে সালামার বিশেষত্ব এখানেই। তিনি তাঁর প্রতিজন দাসী-বাঁদিকে কোরআন-সুন্নাহর দীক্ষায়ও দীক্ষিত করে তোলেন পূর্ণরূপে। সাধারণ শিক্ষার্থীদের মতোই তাদের শিক্ষা আঞ্জাম দিতে থাকেন।