নেত্রকোনায় হাওর-বিলে ঢুকছে পানি, আধপাকা ধান কাটছেন কৃষকেরা
নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলায় টানা তিন দিনের ভারী বৃষ্টিতে উব্দাখালী, ভুগাই, মহাদেওসহ বিভিন্ন নদ-নদীর পানি বেড়ে কয়েকটি হাওর ও বিলে পানি ঢুকতে শুরু করেছে।
নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলায় টানা তিন দিনের ভারী বৃষ্টিতে উব্দাখালী, ভুগাই, মহাদেওসহ বিভিন্ন নদ-নদীর পানি বেড়ে কয়েকটি হাওর ও বিলে পানি ঢুকতে শুরু করেছে।
ভোর থেকে শুরু হওয়া নিরবচ্ছিন্ন ছুটে চলাই বটিয়াঘাটা উপজেলার হোগলবুনিয়া গ্রামের সমাপ্তি মণ্ডলের প্রতিদিনের জীবন, প্রতিদিনের জীবিকার সংগ্রাম।
দিনে ও রাতে সমানতালে বিদ্যুৎ–বিভ্রাটের কারণে স্থবির হয়ে পড়েছে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা। কুমিল্লার কোথাও কোথাও দিনে ১০ ঘণ্টার বেশি লোডশেডিং হচ্ছে।
কবির হোসেনের নিজস্ব জমি রয়েছে প্রায় ১৩ শতাংশ। পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে অন্যের জমি বর্গা নিয়ে চাষবাস করেন।
নেত্রকোনার হাওরসহ নিম্নাঞ্চলে বোরো ধান কাটা শুরু হয়েছে। এক সপ্তাহ ধরে কিছু কিছু এলাকায় আগাম কাটা শুরু হলেও গত রোববার পুরোদমে ধান কাটা শুরু হয়।
পয়লা বৈশাখে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান টাঙ্গাইলে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণের প্রি-পাইলটিং উদ্বোধন করবেন। কৃষিমন্ত্রী জানান, চার বছরে সারা দেশে কার্ড বিতরণ সম্পন্ন হবে। ঘারিন্দা ইউনিয়নের ১৪৭০ কৃষক প্রথমে কার্ড পাবেন।
চকরিয়ায় বাদাম চাষ ক্রমশ বাড়ছে, চলতি মৌসুমে ৪৬২ একর জমিতে চাষ হয়েছে যার মধ্যে ৩৫০ একর মাতামুহুরী নদীর চরে। প্রতি একরে প্রায় সাড়ে ৭২ হাজার টাকা লাভ পাচ্ছেন চাষিরা। তামাকের জায়গায় বাদাম চাষে স্বাস্থ্যঝুঁকি কমেছে এবং আয় বেড়েছে।
হাওর–অধ্যুষিত মিঠামইনের ঢাকি, কেওয়ারজোড়, ইটনা, অষ্টগ্রাম, নিকলী উপজেলাসহ জেলা সদর, পাকুন্দিয়া, হোসেনপুর, কটিয়াদী ও ভৈরবের বিভিন্ন এলাকায় শিলাবৃষ্টি হয়।
ইউনিয়নটির নাম শিলখালী। কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার সবচেয়ে ছোট ইউনিয়ন এটি। আয়তন মাত্র ৭ দশমিক ৮৭ বর্গকিলোমিটার। এর অন্তত ৬৫ শতাংশ এলাকা পাহাড়ঘেরা।
পরিবহন খরচের পাশাপাশি যাত্রাপথে পরিবহন মালিক–শ্রমিক সংগঠনের চাঁদাবাজি ও পৌরসভার ইজারাদারের চাঁদার টাকাও যুক্ত হয় পণ্যের দামে।
এবার ঠাকুরগাঁওয়ের লিচুবাগানে মুকুলের বদলে অধিকাংশ গাছে দেখা যাচ্ছে নতুন পাতা। যেসব গাছে মুকুল এসেছে, তাতেও কচিপাতার আধিক্য।
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে প্রথমবারের মতো জিরার চাষ করে তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন কৃষক মুহাম্মদ ইমতিয়াজ হোসাইন। জিরার ফুল দেখে খুবই খুশি হয়েছিলেন তিনি। ফলনও আসতে শুরু করেছিল। তবে হঠাৎ রোগে আক্রান্ত হয়ে নষ্ট হয়ে যায় পুরো জিরাখেত। অনেক চেষ্টার পরও ফলন বাঁচাতে পারেননি তিনি।