
ইরান যুদ্ধ কি অন্তহীন গোলকধাঁধায় আটকে যাচ্ছে
ওয়াশিংটনের এই কৌশলের বিরূপ প্রভাব কেবল আঞ্চলিক সীমানায় সীমাবদ্ধ নয়।

ওয়াশিংটনের এই কৌশলের বিরূপ প্রভাব কেবল আঞ্চলিক সীমানায় সীমাবদ্ধ নয়।

তেহরান বলছে, এখন সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব যুক্তরাষ্ট্রের। অন্যদিকে, ইরানের নতুন প্রস্তাব ট্রাম্প সম্ভবত প্রত্যাখ্যান করছেন।

ইরান সংঘাত দীর্ঘমেয়াদি অচলাবস্থা তৈরি করেছে। যুদ্ধ সমাধানহীন থাকায় অর্থনৈতিক চাপ বাড়বে।

তেহরান ওয়াশিংটনের মতো একই খেলা খেলছে—এই ধারণা। তা নয়। ইরান সরাসরি যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েলকে পরাজিত করতে চাইছে না। বরং তাদের চেয়ে বেশি সময় ধরে টিকে থাকতে, তাদের লক্ষ্যকে জটিল করে তুলতে এবং খরচ বাড়িয়ে তুলতে চাইছে।

বেশ কিছুদিন ধরেই যুক্তরাষ্ট্র এ ধরনের সম্ভাব্য বিকল্প পথগুলোকে নিজেদের বিবেচনায় রেখেছিল। তবে গত বুধবার সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস প্রথম সম্ভাব্য ব্রিফিংয়ের খবর প্রকাশ করে।

এ পদক্ষেপের ফলে আট সপ্তাহে গড়িয়ে যাওয়া ইরান যুদ্ধের ওপর নিজেদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার আরও একটি সুযোগ হারাল কংগ্রেস।

মার্কিন নীতিনির্ধারকদের ধারণা, নতুন করে ভয়াবহ হামলার পর ইরান নমনীয় হতে বাধ্য হবে। পারমাণবিক ইস্যুতে আলোচনার টেবিলে আসতে আগ্রহী হবে।

ইরান এই ক্রিপ্টোকারেন্সি জমা করে সেগুলোকে চীনা মুদ্রা রেনমিনবিতে রূপান্তর করে।

যুক্তরাষ্ট্রের শুরু করা ইরান যুদ্ধে বিশ্ব অর্থনীতি ওলটপালট হলেও সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

যদি অস্ত্র পরিদর্শকদের প্রবেশাধিকার বাধাগ্রস্ত হওয়া নিয়ে হয়, তবে যুদ্ধ চাপিয়ে দেশটিকে অবরুদ্ধ করে রাখলে সে কাজ কোনোভাবেই সহজ হওয়ার কথা নয়।

বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর জেনারেলরা এখন মনে করছেন, ভবিষ্যৎ আক্রমণ ঠেকাতে পারমাণবিক অস্ত্রই একমাত্র নিশ্চিত উপায়।

তিনি কখনো ইরান যুদ্ধের বড় সমর্থক ছিলেন না; এখনো যতটুকু সম্ভব নিজেকে বিচ্ছিন্ন করে রেখেছেন