যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের চুক্তির সম্ভাবনার মধ্যেই হরমুজ প্রণালির কাছে নতুন করে সামরিক উত্তেজনা
ওয়াশিংটন দুই–এক দিনের মধ্যেই ইরানের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষরের আশা করছে।
ওয়াশিংটন দুই–এক দিনের মধ্যেই ইরানের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষরের আশা করছে।
যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বৃদ্ধি করতে এবং হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান মতৈক্যে পৌঁছেছে।
টম বেটম্যানের মতে, এই চুক্তি হওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়েই ছিল।
চীন ও রাশিয়ার সঙ্গে ইরানের প্রতিরক্ষা চুক্তি রয়েছে।
আলোচনা স্থগিত হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার যুদ্ধবিরতি চুক্তি ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের ‘নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ’ ছাড়া তেহরানের সঙ্গে কোনো চুক্তি করবেন না তিনি।
সৌদির একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেছেন, এটি একটি ব্যাপক প্রতিরক্ষামূলক চুক্তি, যা সব ধরনের সামরিক সক্ষমতাকে অন্তর্ভুক্ত করে। ঠিক এ ব্যাপকতার কারণে ইরান আতঙ্কিত হবে এবং এটি একটি বিপজ্জনক অস্ত্র প্রতিযেগিতা শুরু করতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে বাস্তবসম্মত নিরাপত্তাব্যবস্থা টিকিয়ে রাখতে একটি পারস্পরিক ‘অনাক্রমণ চুক্তি’ দরকার—যাতে রাজনৈতিক আদর্শের সংঘাত সহিংসতায় রূপ না নেয়।
পাকিস্তান তৈরি করেছে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র শত্রুতা শেষের দুই ধাপের পরিকল্পনা, যাতে তাৎক্ষণিক যুদ্ধবিরতি এবং পরে বিস্তৃত চুক্তি অন্তর্ভুক্ত। আজ সোমবারই এটি কার্যকর হতে পারে এবং হরমুজ প্রণালি খুলে যেতে পারে। সেনাপ্রধান আসিম মুনির সারা রাতের যোগাযোগের মধ্য দিয়ে এগিয়ে এসেছে প্রস্তাবটি।
ইরান যুদ্ধ শেষ করার জন্য শেষ পর্যন্ত ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতায় পৌঁছেছে। আগামীকাল ১৯ জুন শুক্রবার সুইজারল্যান্ডের জেনেভা শহরে আনুষ্ঠানিক চুক্তি স্বাক্ষরের কথা। এর মধ্য দিয়ে উপসাগরীয় এলাকায় স্বস্তি ফেরার সম্ভাবনা জোরালো হয়েছে। তবে এই সমঝোতা কতটুকু টেকসই হবে, তা নিয়ে গভীর সংশয় রয়ে গেছে।
হামলা অব্যাহত থাকলেও ইরানের সঙ্গে এখনো একটি ‘চুক্তি হওয়া সম্ভব’ বলে জানিয়ে রেখেছেন ট্রাম্প।
আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা (আইইএ) বলছে, চলতি ২০২৬ সালে দৈনিক ১০ লাখ ব্যারেল কমতে পারে বিশ্ব জ্বালানি তেলের চাহিদা; ২০২০ সালের পর এটিই প্রথম সম্ভাব্য বছর, যখন বিশ্বে চাহিদা কমার প্রবণতা দেখা দিতে পারে।