মার্কিন হামলার আশঙ্কা, সতর্ক ইরান
ট্রাম্পের হুমকি, ইরান বিক্ষোভকারীদের মৃত্যুদণ্ড দিলে খুব শক্তিশালী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
ট্রাম্পের হুমকি, ইরান বিক্ষোভকারীদের মৃত্যুদণ্ড দিলে খুব শক্তিশালী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
ইরান শুধু একটি রাষ্ট্র নয়, মধ্যপ্রাচ্যের শক্তির ভারসাম্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়। লেবানন, সিরিয়া, ইরাক ও ইয়েমেনের বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীর ওপর ইরানের প্রভাব রয়েছে। কেন্দ্রীয় শাসন দুর্বল হলে এসব নেটওয়ার্ক নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়তে পারে। এতে পুরো মধ্যপ্রাচ্য দীর্ঘ অনিশ্চয়তার মধ্যে ঢুকে পড়বে।
ভয়াবহ মূল্যস্ফীতিতে ইরান জেরবার। মানুষের জীবনযাত্রার মানের উন্নয়ন হয়নি।
হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সংঘাত তীব্র হয়েছে; পরাজয় মেনে নিতে বলা হয়েছে ওয়াশিংটনকে।
নাবিক ও ক্রুদের মধ্যে আত্মহত্যার ঝুঁকি তৈরি হওয়ায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে তাঁদের পরিবার ও সহকর্মীরা।
কোনো চুক্তি হবে কি না, তা নিয়ে নতুন করে সন্দেহ দেখা দিয়েছে।
ওমরাহ শেষে সাফসুতরো হয়ে মক্কার আল-সাফা রাজপ্রাসাদের দরবারকক্ষে এলেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ। সঙ্গে ছিলেন ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির। এক দিন আগেই আঙ্কারা থেকে পৌঁছেছিলেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান। তাঁদের জন্য অপেক্ষা করছিলেন সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান। তিন নেতা ৭ আগস্ট দুপুরে ‘মক্কা চুক্তি’ স্বাক্ষর করেন।
চুক্তিটি যেন আঞ্চলিক বা আন্তর্জাতিক কোনো পক্ষকেই ক্ষুব্ধ না করে, সে ব্যাপারে পাকিস্তান, সৌদি আরব ও তুরস্ক সতর্ক ছিল।
যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষতিপূরণসহ অন্যান্য শর্ত পূরণ না হলে হরমুজ প্রণালি খোলা হবে না—ইরানের এমন অবস্থান জানানো হয়েছে।
ইরানের শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তাদের বড় একটি অংশই সংঘাত থামিয়ে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের পক্ষে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে সংঘাতের পর ইরানের অভ্যন্তরীণ ক্ষমতার লড়াই এবং পুনর্গঠন প্রক্রিয়ায় সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির সামনে চ্যালেঞ্জগুলো নিয়ে আলোচনা।
লোহিত সাগর ও সৌদি আরবের জ্বালানি অবকাঠামো ঘিরে সম্প্রতি নতুন হুমকি তৈরি হয়েছে।