
তিন যুগের মধ্যে সবচেয়ে বেশি আসন ইসলামপন্থী দলগুলোর
ইসলামপন্থীরা সবচেয়ে কম আসন পায় ১৯৯৬ ও ২০০৮ সালের নির্বাচনে। ২০১৪ ও ২০২৪ সালের নির্বাচন দুটি ইসলামপন্থী বড় দলগুলো বর্জন করে।

ইসলামপন্থীরা সবচেয়ে কম আসন পায় ১৯৯৬ ও ২০০৮ সালের নির্বাচনে। ২০১৪ ও ২০২৪ সালের নির্বাচন দুটি ইসলামপন্থী বড় দলগুলো বর্জন করে।

চট্টগ্রাম-১৪ আসন (চন্দনাইশ-সাতকানিয়ার একাংশ) দীর্ঘদিন ধরেই কর্নেল (অব.) অলি আহমদের রাজনৈতিক ‘প্রভাবের’ কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। পাঁচবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়া এই রাজনীতিবিদের নাম আসনটির সঙ্গে সমার্থক হয়ে উঠেছিল। স্থানীয় ভোটের অঙ্কে তাঁর ব্যক্তিগত ‘প্রভাব’ ছিল নির্ধারক।

বরিশাল বিভাগে প্রায় ৪৬ বছর পর ভূমিধস বিজয় পেয়েছে বিএনপি। বিভাগের ২১টি আসনের মধ্যে এবার বিএনপি ও জোটের প্রার্থীরা ১৮টিতে জয় পেয়েছেন।

১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের পরদিন থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানে নির্বাচন–পরবর্তী সংঘাতের খবর প্রকাশিত হয়েছে সংবাদমাধ্যমগুলোতে।

২০১৮-এর ভোটে ভয় ও ২০২৬-এর স্বস্তি—এক নির্বাচনী কর্মকর্তার অভিজ্ঞতায় দুই নির্বাচনের ভিন্ন চিত্র।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া–৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসনে গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি ৫৫ হাজার ৩৬৬ ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন। গত শুক্রবার রাতে তাঁর সাক্ষাৎকার নিয়েছেন মুক্তকণ্ঠের ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নিজস্ব প্রতিবেদক শাহাদৎ হোসেন।

দাদা ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর মর্যাদার সিনিয়র মন্ত্রী। দাদার মৃত্যুর পর বাবা মন্ত্রী হন। ফুফু ছিলেন সংসদ সদস্য। তিনি বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির (বাংলাদেশ ন্যাপ) চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি। একাদশ ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নীলফামারী-১ (ডোমার-ডিমলা) আসন থেকে দুবার অংশগ্রহণ করে দুবারই পরাজিত হয়েছেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ফকির মাহবুব আনাম স্বপন নির্বাচিত হওয়ায় দীর্ঘদিনের হারানো আসনটি ফিরে পেল বিএনপি।

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ভোট গ্রহণের পর থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানে জামায়াতে ইসলামী এবং তাদের মিত্ররা আক্রান্ত হচ্ছে বলে অভিযোগ করে আসছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। ভোটে জয়ী বিএনপির নেতা–কর্মীরা এই হামলা চালাচ্ছেন বলে দলটির অভিযোগ।

প্রতিটি নাগরিকের জীবন, নিরাপত্তা ও মর্যাদা রক্ষা করা রাষ্ট্রের সাংবিধানিক দায়বদ্ধতা।

প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থীদের সঙ্গে জামায়াতের প্রার্থীদের ভোটের ব্যবধান চার হাজারের কম। দুটি আসনেই ভোট পুনর্গণনার দাবি বিএনপির দুই প্রার্থীর।

দীর্ঘ ৩৫ বছরের রাজনৈতিক ইতিহাসে যশোরে এবারের নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীর উত্থান বিএনপিকে ভাবিয়ে তুলেছে। দীর্ঘদিনের জোট ভেঙে এককভাবে নির্বাচন করা বিএনপি ও জামায়াতের জন্য আশীর্বাদ ও চ্যালেঞ্জ, উভয়ই বয়ে এনেছে।