নওগাঁয় বাগান পরিদর্শন, আম আমদানিতে আগ্রহী জাপানের ব্যবসায়ীরা
দূতাবাসের আমন্ত্রণে রাজশাহী ও নওগাঁ অঞ্চলে রপ্তানিযোগ্য আমবাগান পরিদর্শনে এসেছেন জাপানের ব্যবসায়ী ও প্রতিনিধিরা। জাপানে আম রপ্তানি হলে আমচাষিরা অনেক লাভবান হবেন।
দূতাবাসের আমন্ত্রণে রাজশাহী ও নওগাঁ অঞ্চলে রপ্তানিযোগ্য আমবাগান পরিদর্শনে এসেছেন জাপানের ব্যবসায়ী ও প্রতিনিধিরা। জাপানে আম রপ্তানি হলে আমচাষিরা অনেক লাভবান হবেন।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন নীতিমালায় বি-টু-সি রপ্তানি সহজ হয়েছে। অনলাইন মার্কেটপ্লেসে পণ্য বিক্রি, অর্থ ফেরত ও বৈদেশিক লেনদেনে মিলছে নতুন সুবিধা।
হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তিনটি স্ক্যানার নষ্ট হওয়ায় রপ্তানি কার্যক্রমে জটিলতা ও বিলম্ব হচ্ছে।
দেশের গাছের চারা রপ্তানি খাতে উজ্জ্বল শুরু হলেও জটিলতা ও সরকারি সহায়তার অভাবে আয় ধসে পড়েছে। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ১.৩৪ লাখ ডলার থেকে ২০২৪-২৫-এ নেমে ১১ হাজার ডলার। রপ্তানিকারকেরা প্রণোদনা ও সুবিধা দাবি করছেন।
ঝিনাইদহের শত শত নারী অযত্নের কচুরিপানা দিয়ে দৃষ্টিনন্দন হস্তশিল্প তৈরি করে স্বাবলম্বী হচ্ছেন। ঘরে বসে তৈরি পরিবেশবান্ধব এসব পণ্য বিশ্বের ৮২টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে।
দেশের শীর্ষ আলু উৎপাদনকারী অঞ্চল রংপুর হলেও রপ্তানিতে পিছিয়ে রয়েছে। চুক্তিভিত্তিক চাষের অভাব, উপযুক্ত জাতের ঘাটতি, সংরক্ষণ সংকট ও কম দামের কারণে কৃষকের আগ্রহ কমছে—সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও বাড়ছে না রপ্তানি।
বাংলাদেশ থেকে জিনস রপ্তানি শুরু হয় চার দশক আগে। বর্তমানে ইইউ ও যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ডেনিম পোশাক রপ্তানিতে শীর্ষস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ।
সানেমের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, তেলের দাম ৪০% এবং এলএনজি ৫০% বাড়লে জিডিপি ১.২% কমতে পারে, রপ্তানি ২% এবং আমদানি ১.৫% হ্রাস পাবে। মূল্যস্ফীতি ৪% বাড়বে এবং প্রকৃত মজুরি ১% কমবে। জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য সানেম নবায়নযোগ্য শক্তি ও মজুত তৈরির সুপারিশ করেছে।
চলতি বছরের প্রথম দুই মাসে যুক্তরাষ্ট্র চীনকে টপকে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে বাংলাদেশ। পাল্টা শুল্কের কারণে চীনের রপ্তানি ৫৭.৬৫ শতাংশ কমলেও বাংলাদেশের সাড়ে ৮ শতাংশ কমেছে। ভিয়েতনাম শীর্ষে রয়েছে।
গত অর্থবছরে পারস্য উপসাগরীয় আট দেশে বাংলাদেশ থেকে পণ্য রপ্তানি করেছে ১ হাজার ৮২৩টি প্রতিষ্ঠান। এর মধ্যে ৫৮০টি প্রতিষ্ঠান রয়েছে, যাদের মোট রপ্তানির ৫০ শতাংশ থেকে ১০০ শতাংশই এই আট দেশে।
দেশের আমদানি, রপ্তানি ও ব্যাংক গ্যারান্টির জন্য দেশীয় ব্যাংকগুলো মূল ভরসার কেন্দ্র হয়ে উঠেছে। তারাই এখন এই খাতে চালকের আসনে।
রপ্তানি সূচি ভেঙে পড়ায় নির্ধারিত সময়ে পণ্য সরবরাহ করা যাচ্ছে না এবং লজিস্টিক ব্যয় অতিরিক্ত বেড়ে যাচ্ছে।