
রুহুর ভাঁজে একটা গজল
উটপাখি আঁকছিলাম কাইল কিংবা মাঝারি একটা মরা প্রবালের ওপর বসি পা দুলাইতে দুলাইতে

উটপাখি আঁকছিলাম কাইল কিংবা মাঝারি একটা মরা প্রবালের ওপর বসি পা দুলাইতে দুলাইতে

ভালোবাসা হলো তাঁর মাথা, আশা ও ভয় তাঁর দুই ডানা। মাথা ও দুটি ডানা যথাযথভাবে থাকলেই পাখি উড়তে পারে। মাথা কেটে ফেললে পাখি মারা যায়।

বিরল এক পাখির খোঁজে রাজশাহীর পদ্মার চরে যাওয়ার জন্য শহরের চর সাতবাড়িয়ার ডোগার ঘাটে এসেছি।

প্রায় ২০ একর এলাকাজুড়ে বিস্তৃত এই পার্কটিকে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ ‘মুক্তভাবে হাঁটা যায় এমন পাখির উদ্যান’ হিসেবে ধরা হয়।

সাফারিতে আমাদের একজন সঙ্গী পাখিপ্রিয় ফটোগ্রাফার মিশু জানান, ১৭৫ প্রজাতির পাখির ছবি তুলেছেন ওই চার দিনে।

গ্লোস্টার ক্যানারি নামে একধরনের পাখি আছে, যাকে দেখলে মনে হয় মাথায় ‘বাটি ছাট’ দেওয়া!

রাঙাচ্যাগার আচরণ দেখে একেবার মনে হয় খুব লাজুক পাখি।

মায়ের দেওয়া হাতখরচ বাঁচিয়ে চারটি কোয়েল পাখি কিনেছিলেন। মোহাম্মদ হামিমের শুরুটা এভাবেই। তখনো জানতেন উদ্যোগটা এত বড় হয়ে উঠবে।

শীত এলে পিঠা আর কুয়াশার ঘ্রাণ নদীতীর, বক পাখি, ভোরের উড়ান

কিউই পাখির ডিমের ওজন মা পাখির ওজনের ২০ শতাংশও হতে পারে।

প্যাঁচাটিকে আমাদের সুন্দরবনেও দেখা যায়। জীবনে এতবার সুন্দরবন গিয়েছি অথচ কখনোই তার দেখা পাইনি।

বাংলাদেশে লাল টুপি কাস্তেচরা পাখিটি সহজে দেখা যায় না। চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার পদ্মায় খলিফার চরে শর্ষে চাষের সময় পাখিটি দেখা যায়।