হেফাজতে ও কারাগারে মৃত্যুর ঘটনাগুলো নিয়ে যে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হেফাজতে এবং কারাগারে মৃত্যুর বিষয়টি বাংলাদেশে খুবই ধারাবাহিক একটি ঘটনা।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হেফাজতে এবং কারাগারে মৃত্যুর বিষয়টি বাংলাদেশে খুবই ধারাবাহিক একটি ঘটনা।
রাজশাহীর গোদাগাড়ীর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইসরাত জাহান ওই সাজা দেন। জহুরুল ইসলামের বাড়ি উপজেলার জাহানাবাদ গ্রামে। আগে মাদকসহ গ্রেপ্তার হয়ে তিনি জেলে ছিলেন।
সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য নূর মোহাম্মদ তিন দিনের রিমান্ড শেষে কারাগারে, জামিন আবেদন নামঞ্জুর।
ইসতি মেডিকেলের এমডি মোহাম্মদ ফয়সাল যৌন নিপীড়নের মামলায় কারাগারে।
গতকাল সোমবার নিউইয়র্কের একটি ফেডারেল আদালত এ রায় দিয়েছেন।
কুষ্টিয়ায় তালাকের প্রতিশোধ নিতে শ্বশুরবাড়িতে মাদক রেখে ৯৯৯-এ ফোন দেন জামাতা। তদন্তে নাটক ফাঁস হলে তাঁকে গ্রেপ্তার করে মাদক আইনের মামলায় কারাগারে পাঠায় পুলিশ।
জামিনের মেয়াদপূর্তিতে জেলা জজ আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করলে শুনানি শেষে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে তাঁকে জেলহাজতে পাঠানোর আদেশ দেন।
সরকারি তিতুমীর কলেজের ছাত্র নাজিমকে সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে এক হাজতির মৃত্যু হয়েছে। তাঁর নাম নুরুল আলম। তিনি কার্যক্রম নিষিদ্ধ যুবলীগের সাতকানিয়া উপজেলা শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক।
মঙ্গলবার বিকেল ৪টা ৪০ মিনিটে কুমিল্লার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ৩ নম্বর আমলি আদালতের বিচারক তৈয়র উদ্দিন আহমেদ এই আদেশ দিয়েছেন।
প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমকে জড়িয়ে মানহানিকর তথ্য প্রচারের অভিযোগে সাইবার সুরক্ষা আইনে সদর থানায় মামলাটি করেন বগুড়া প্রেসক্লাবের কোষাধ্যক্ষ তানভীর আলম।
ওমর ফারুক ফারুকী মুক্তকণ্ঠকে বলেন, বিশ্বাসভঙ্গ ও ব্যাংক জালিয়াতির অভিযোগে করা মামলায় আদালতের সমন উপেক্ষা করেছিলেন আহমেদ জোবায়ের।