
ইরানে বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে মাঠে নামছে বিপ্লবী গার্ড বাহিনী
ইরানে গত ২৮ ডিসেম্বর থেকে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ চলছে

ইরানে গত ২৮ ডিসেম্বর থেকে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ চলছে

ইরানে বিক্ষোভ চললেও দেশটিতে সরাসরি হস্তক্ষেপের কোনো ইঙ্গিত দেয়নি ইসরায়েল।

অর্থনৈতিক অসন্তোষ থেকে শুরু হওয়া এই ক্ষোভ দ্রুতই রাজনৈতিক অভ্যুত্থানে রূপ নিয়েছে। শেষ পর্যন্ত ৮ জানুয়ারি দেশজুড়ে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ার পরই কড়াকড়ি আরোপ করে সরকার।

ইরানি কর্তৃপক্ষ গতকাল শনিবার বিক্ষোভ দমনে আরও কঠোর হওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের নেতৃত্বকে নতুন করে হুমকি দেওয়ার পর দেশটির সেনাবাহিনী জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে।

নিহত হয়েছেন এমন ২২ জনের পরিবারের সঙ্গে কথা বলে তাঁদের পরিচয় নিশ্চিত করেছে বিবিসি ফারসি।

১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবে ইরানে শাহ মোহাম্মদ রেজা পাহলভির ৪০ বছরের শাসনের পতন ঘটে। তখন তাঁর বড় ছেলে রেজা পাহলভির বয়স ছিল মাত্র ১৬ বছর। তেলসমৃদ্ধ হাজার বছরের পুরোনো সেই সাম্রাজ্যের উত্তরাধিকারী হিসেবে তিনিই ছিলেন প্রথম সারিতে। নিজের ‘জন্মগত অধিকার’ হারানোর প্রায় অর্ধশতাব্দী পর ৬৫ বছর বয়সে এসে পাহলভির অপেক্ষার প্রহর হয়তো শেষ হতে চলেছে।

ট্রাম্প গত সপ্তাহে তেহরানকে হুঁশিয়ার করে বলেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র বিক্ষোভকারীদের সহায়তায় এগিয়ে আসতে পারে।

উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও মুদ্রার মানে ধস সরকারের প্রতি জনগণের হতাশা তৈরি করেছে।

প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে চলা এই বিক্ষোভের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি ইরানে হামলার হুমকিও দিয়েছেন।

গত মাসে তেহরানে শুরু হওয়া এ বিক্ষোভ ইতিমধ্যে ইরানের ৩১ প্রদেশের সব কটিতে ছড়িয়ে পড়েছে।

ইরানে গত ২৮ ডিসেম্বর থেকে বিভিন্ন দাবিদাওয়া নিয়ে বিক্ষোভ চলছে।