ইসলাম কতটা ইতিবাচক থাকতে বলে
যখন কোনো কাজ করা হবে, তখন তা হতে হবে সর্বোচ্চ গুণগত মানসম্পন্ন এবং নিখুঁত, যা বলা হয় ‘ইতকান’। কারণ, আল্লাহ আপনার প্রতিটি কাজের পর্যবেক্ষক।
যখন কোনো কাজ করা হবে, তখন তা হতে হবে সর্বোচ্চ গুণগত মানসম্পন্ন এবং নিখুঁত, যা বলা হয় ‘ইতকান’। কারণ, আল্লাহ আপনার প্রতিটি কাজের পর্যবেক্ষক।
অনেকেই মক্কায় ঢোকার সঙ্গে সঙ্গে ওমরাহর জন্য এতই ব্যস্ত হয়ে পড়েন যে দীর্ঘ সফরের ক্লান্তি বা বিশ্রামের কথা ভুলে যান। এর প্রয়োজন নেই।
ফিতনা শুধু কষ্ট বা বিপদ নয়, বরং ভালো অবস্থাও এক ধরনের পরীক্ষা হতে পারে। এর মাধ্যমে মানুষের ইমান, ধৈর্য ও সত্যনিষ্ঠা প্রকাশ পায়।
এখন জিলকদ মাস চলছে। মহানবী (সা.) হিজরতের পর মোট চারবার ওমরাহ পালন করেছেন। বিভিন্ন হাদিসে দেখা যায়, তাঁর প্রতিটি ওমরাহ জিলকদ মাসেই সম্পন্ন হয়েছে।
কখনো বিপদ আমাদের চারপাশ অন্ধকার করে দেয়। এই কঠিন সময়ে মানুষ যখন দিশেহারা হয়ে পড়ে, তখন পবিত্র কোরআনের বাণী হতে পারে মানসিক শক্তির উৎস।
ব্যক্তি জীবিত না মৃত এবং তার জন্য দুনিয়া না আখেরাতের কল্যাণ চাওয়া হচ্ছে—এই পার্থক্যের ওপর ভিত্তি করে শরিয়তের বিধান ভিন্ন ভিন্ন হয়।
কোরআন ও হাদিসে বর্ণিত নামাজের গুরুত্ব এবং এর মাধ্যমে পাপ ও মন্দ কাজ থেকে বিরত থাকার প্রক্রিয়া তুলে ধরা হয়েছে। নবীজি (সা.)-এর উদাহরণসহ নামাজের প্রভাব ও খুশু-খুজুরের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে। সঠিকভাবে আদায় করা নামাজ জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনে।
ইসলামে সময়কে ঘড়ির কাঁটায় নয়, আমলের ওজনে মাপা হয়। নিয়তের ইখলাসে প্রতি মুহূর্ত ভারী হয়। নামাজ, রোজা, হজের মাধ্যমে জীবনের ওজন বাড়ানোর পথ দেখানো হয়েছে কুরআন-হাদিসে।
নবীজি (সা.) ঘুমের একান্ত প্রয়োজন হলে মাটি বা চাটাইয়ে সাধারণভাবে বিশ্রাম নিতেন। তাঁর সুন্নতসম্মত ঘুমের পদ্ধতিতে অজু, তেলাওয়াত, দোয়া ও জিকিরের মাধ্যমে ইবাদতের ছোঁয়া ছিল। এই অভ্যাস শারীরিক ও আধ্যাত্মিক সুস্থতার জন্য আদর্শ।
অজুর শুরুতে বিসমিল্লাহ বলা কি ওয়াজিব নাকি সুন্নত—এই বিষয়ে ফকিহদের মধ্যে দীর্ঘদিনের মতভেদ রয়েছে। কোরআন, হাদিস ও ফিকহের নীতির ভিত্তিতে সংখ্যাগরিষ্ঠের মতে এটি সুন্নত, তবে পূর্ণতার জন্য জরুরি। অজু তবু বৈধ হয়।
হাজিদের কাছে দোয়া চেয়ে তাঁদের খরচে অর্থ দেওয়া সমাজে প্রচলিত। শরিয়তে এটি হাদিয়া বা সদকা হিসেবে জায়েজ, তবে চুক্তিভিত্তিক ব্যবসা নয়। ইসলাম এতে মুসলিম ভ্রাতৃত্বের নিদর্শন দেখে।
বিয়ের বিলম্বে অনেকে নির্দিষ্ট দোয়া খোঁজেন, কিন্তু ইসলামে এর জন্য কোনো ধরাবাঁধা দোয়া নেই। পরীক্ষায় ধৈর্য ধরে আল্লাহর ফয়সালায় সন্তুষ্ট থাকাই মুমিনের করণীয়। কোরআন, হাদিস ও আলেমদের উক্তি থেকে জানুন বিস্তারিত।