
জ্বালানি স্থাপনায় ইরানের হামলা, ঝুঁকিতে বিশ্ব অর্থনীতি
গতকাল একটি ড্রোন হামলার পর সৌদি আরব তাদের বৃহত্তম তেল শোধনাগার বন্ধ করে দিয়েছে।

গতকাল একটি ড্রোন হামলার পর সৌদি আরব তাদের বৃহত্তম তেল শোধনাগার বন্ধ করে দিয়েছে।

শান্তিপূর্ণ নির্বাচনপ্রক্রিয়া রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা কমাতে সহায়তা করেছে। তবে আস্থা ফিরতে সময় লাগবে।

এলডিসি-পরবর্তী সময়ে নতুন বাণিজ্যচুক্তি ও বাজার বহুমুখীকরণ অপরিহার্য। অর্থনৈতিক ম্যান্ডেটের জন্য দৃশ্যমান সংস্কার ও কার্যকর নীতি দরকার।

পৃথিবীজুড়ে তোষামোদের একটি দীর্ঘ ইতিহাস আছে। চাটুকারিতার মূল আখড়া ছিল বিভিন্ন রাজ্যের রাজসভা।

অর্থনীতিবিদদের একটি অংশ দীর্ঘদিন ধরে সতর্ক করে আসছেন—অনানুষ্ঠানিক ও অবৈধ অর্থপ্রবাহ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর অগ্রগতি না এলে দৃশ্যমান প্রবৃদ্ধির স্থায়িত্ব ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।

নির্বাচিত সরকারের কাছে তিন দিক থেকে মানুষের প্রত্যাশা রয়েছে। এক. অর্থনৈতিক স্থবিরতা কাটিয়ে বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান ও মানুষের আয় বাড়বে।

ব্যবসায়ী ও অর্থনীতিবিদেরা মনে করেন, এ চুক্তিতে দেশের স্বার্থকে বিবেচনায় নেওয়া হয়নি; বরং এটি আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের অবস্থানকে সীমিত করে দিতে পারে।

নতুন সরকারের সামনে আরেকটা বড় চ্যালেঞ্জ আছে। সেটি হলো প্রতিশ্রুতি পূরণ তথা প্রত্যাশার ব্যবস্থাপনা।

নিয়মভিত্তিক ব্যবস্থায় এলডিসিভুক্ত দেশগুলো অগ্রাধিকারমূলক সুবিধা পেত। কিন্তু এই দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যব্যবস্থায় সেগুলো থাকছে না।

ভবিষ্যৎ সূচকের ক্ষেত্রে কৃষি, উৎপাদন, নির্মাণ ও পরিষেবা—অর্থনীতির সব প্রধান খাতেই দ্রুততর সম্প্রসারণের ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।

অর্থনীতি: সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর

চলতি বছর বৈশ্বিক অর্থনীতি ১২৩ দশমিক ৬ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে।