ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের তৃতীয় দফার হামলা, উত্তপ্ত হরমুজ প্রণালি
হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার প্রতিক্রিয়ায় ইরানে তৃতীয় দফার অভিযান শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র; পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে প্রণালি বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে তেহরান।
হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার প্রতিক্রিয়ায় ইরানে তৃতীয় দফার অভিযান শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র; পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে প্রণালি বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে তেহরান।
ইরানের বিশেষ অনুমতি নিয়ে হরমুজ প্রণালি পার হয়েছে এলপিজিবাহী দুই ভারতীয় জাহাজ।
যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপ অবসান না হওয়া পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে ইরান।
যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা রুশ ধনকুবের অ্যালেক্সি মর্ডাশভের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি বিশাল প্রমোদতরি (সুপারইয়ট) গত শনিবার হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করেছে।
ইরাক সফরে গিয়ে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সমঝোতা চুক্তি অনুযায়ী আগামী ৩০ দিন হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণভাবে তেহরানের একক নিয়ন্ত্রণেই থাকবে।
হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালু করতে বুধবারের মধ্যে ইরানের সঙ্গে একটি চুক্তি হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট।
মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) ইরানে নতুন করে হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, ‘চুক্তিটি সই হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই সবার জন্য হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া হবে।’
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের টানাপোড়েন এবং হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে তৈরি হওয়া অনিশ্চয়তা বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ, জাহাজ পরিবহন ব্যয় ও বিমা খাতে নতুন ঝুঁকি তৈরি করছে।
ইসমাইল বাঘাই বলেন, গত এক সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের অবস্থান অনেকটাই কাছাকাছি এসেছে। তবে এর অর্থ এ নয় যে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোতে সমঝোতা হয়ে গেছে।
হরমুজ প্রণালি দিয়ে প্রতিদিন প্রায় ১৩৮টি জাহাজ চলাচল করত, যা বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের এক-পঞ্চমাংশ।
ইরানের বাসিজপ্রধানের দাবির ঠিক এক দিন আগে ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, গুরুত্বপূর্ণ জলপথটির ‘পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ’ এখন যুক্তরাষ্ট্রের হাতে রয়েছে।