হরমুজ প্রণালি নিয়ে যে গোপন এজেন্ডা ইসরায়েলের
যুদ্ধের বিস্তার এবং আমেরিকান ঘাঁটি থাকা দেশগুলোতে ইরানের পাল্টা হামলা বিশ্বজুড়ে বড় ধরনের অর্থনৈতিক বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে।
যুদ্ধের বিস্তার এবং আমেরিকান ঘাঁটি থাকা দেশগুলোতে ইরানের পাল্টা হামলা বিশ্বজুড়ে বড় ধরনের অর্থনৈতিক বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধ বন্ধে ডোনাল্ড ট্রাম্পের মন্তব্যের পরই ইসরায়েলে দফায় দফায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান।
কয়েক দিনের ব্যবধানে প্রতি ব্যারেল তেলের দাম লাফিয়ে ১২০ ডলারে গিয়ে ঠেকেছে।
বাংলাদেশ থেকে মধ্যপ্রাচ্যে কোনো পণ্য যাচ্ছে না। আটকা পড়েছে সহস্রাধিক কনটেইনার। আমদানি-রপ্তানিতে অচলাবস্থা।
ব্যবসায়ী ও জ্বালানি খাত–সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে সরবরাহব্যবস্থায় চাপ পড়তে পারে।
বিশ্বের অন্যতম সংকীর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালি ব্যবস্থাপনার বিষয়ে একটি নতুন খসড়া আইন পর্যালোচনা শুরু করেছে ইরানের সংসদীয় কমিটিগুলো। হরমুজ প্রণালি নিয়ে পাস হতে যাওয়া নতুন আইনটি বর্তমানে ইরানি মন্ত্রীসভার চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। রোববার (২৬ জুলাই) এ তথ্য নিশ্চিত করেছে দেশটির রাষ্ট্রীয় সম
বিশ্বের অন্যতম সংকীর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালিতে তিনটি তেল ট্যাংকারে হামলা চালিয়ে সেগুলোকে থামিয়ে দিয়েছে ইরানের সামরিক বাহিনী। ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কোরের (আইআরজিসি) সঙ্গে সম্পর্কিত আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সির বরাতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। তাসনিম জানিয়েছে, ‘আমাদের পক্ষ থেকে বারব
হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সংঘাত তীব্র হচ্ছে।
হরমুজ প্রণালিতে তিনটি বাণিজ্যিক জাহাজে ইরানের হামলার জবাবে পাল্টা হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)।
হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাওয়ার সময় একটি মার্কিন তেল ট্যাংকার লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছে ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ডের (আইআরজিসি) নৌবাহিনী।
হরমুজ প্রণালীতে ইরানের নিয়ন্ত্রণ চলাকালীন ইরাক ও পাকিস্তান জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে তেহরানের সঙ্গে চুক্তি করেছে। বিষয়টি সম্পর্কে অবগত পাঁচটি সূত্র রয়টার্সকে তথ্য দিয়েছে। ইরাকের দুটি তেলবাহী জাহাজ গত রোববার প্রণালী অতিক্রম করেছে।
হরমুজ প্রণালীতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের বাহিনীর পাল্টাপাল্টি হামলায় সংঘাতের নতুন আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র শুক্রবারের মধ্যে ইরানের প্রস্তাবের জবাব আশা করছে, যখন ইরান এখনো পর্যালোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। সৌদি ও কুয়েত যুক্তরাষ্ট্রের প্রজেক্ট ফ্রিডমে যোগ দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে।