
স্থায়ী ও টেকসই শান্তিচুক্তিই একমাত্র সমাধান
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের শীর্ষ নেতৃত্ব স্বাক্ষর করায় নিঃসন্দেহে এই সমঝোতা স্মারকের গুরুত্ব অনেক বেশি। তবে সতর্কতার বিষয় হলো, টেকসই ও স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার পথে যে দীর্ঘ ও বন্ধুর পথ, এটি তার প্রথম ধাপ।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের শীর্ষ নেতৃত্ব স্বাক্ষর করায় নিঃসন্দেহে এই সমঝোতা স্মারকের গুরুত্ব অনেক বেশি। তবে সতর্কতার বিষয় হলো, টেকসই ও স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার পথে যে দীর্ঘ ও বন্ধুর পথ, এটি তার প্রথম ধাপ।

ইরান মধ্যপ্রাচ্যে এক নতুন ‘প্রতিরোধ সমীকরণ’ তৈরি করতে চাইছে। সেই অনুযায়ী, লেবাননের যেকোনো জায়গায় ইসরায়েল হামলা চালালে ইরান সরাসরি তার ওপর পাল্টা আঘাত হানবে।

সমঝোতা স্মারকে সই করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান।

মাত্র ১৫ সপ্তাহ আগে সবচেয়ে আত্মবিশ্বাসী ঘোষণা দিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছিলেন, ‘নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ ছাড়া ইরানের সঙ্গে কোনো চুক্তি হবে না।’

প্যারিসের ভার্সাই প্রাসাদে গতকাল বুধবার ইরান যুদ্ধ বন্ধে সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন ট্রাম্প।

প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ বলেন, এ সমঝোতা স্মারক অবিলম্বে কার্যকর হবে।

ইরানের সঙ্গে সই হওয়া ১৪ দফার সমঝোতা স্মারকের পূর্ণাঙ্গ নথি প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

প্রায় অর্ধশতাব্দী ধরে চলমান বৈরিতা, নিষেধাজ্ঞা, সামরিক হুমকি ও সংঘাতের পর ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক ঘোষণার ঘটনা ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভূরাজনৈতিক উন্নয়ন হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

প্রাথমিক চুক্তির সঙ্গে সঙ্গে সব ধরনের বাণিজ্যিক জাহাজের জন্য হরমুজ প্রণালি খুলে দেবে ইরান।

যুদ্ধ বন্ধে তেহরান-ওয়াশিংটন একটি সমঝোতা চুক্তির আলোচনা যখন চলছে, তখন তার বিরোধিতা করে বিক্ষোভ হয়েছে ইরানে। কট্টরপন্থিদের এই বিক্ষোভ থেকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির বিরুদ্ধে স্লোগানও ওঠে।

যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারকের খসড়া চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।

মরিশাসে আবার বাংলাদেশের শ্রমবাজার চালুর লক্ষ্যে দ্রুত সমঝোতা স্মারক সইয়ের সিদ্ধান্ত।