
উত্তরবঙ্গের চালের বিরিয়ানির বিশেষত্ব কী, দেখুন রেসিপিতে
শুকনা তাওয়ায় প্রথমে চাল হালকা ভেজে নিন। ভাজা চাল ধুয়ে পানি ঝরিয়ে রেখে দিন। কড়াইয়ে শর্ষের তেল গরম করে নিন।

শুকনা তাওয়ায় প্রথমে চাল হালকা ভেজে নিন। ভাজা চাল ধুয়ে পানি ঝরিয়ে রেখে দিন। কড়াইয়ে শর্ষের তেল গরম করে নিন।

গল্প-উপন্যাসে পড়েছি, সিনেমায়ও বহুবার দেখেছি, মৃত্যুর কিছুক্ষণ আগে ফাঁসির আসামিকে জিজ্ঞেস করা হয়, শেষবারের মতো তিনি কী খেতে চান? সত্যি সত্যি এমন হয় কি না, জানি না।

গম, মাষকলাই ডাল ও মুগ ডাল টেলে নিন। চাল, ডাল ও গম সেদ্ধ করে বেটে নিন। তেলে পেঁয়াজ বাদামি করে ভেজে সব মসলা ও মুরগি দিয়ে কষান।

ডাল পরিষ্কার করে ধুয়ে ভিজিয়ে রাখুন। ২ ঘণ্টা পর ডাল ফুলে উঠলে পানি ঝরিয়ে বেটে নিন। বেশি মিহি করে বাটবেন না।

তেলে মুরগির কিমা, কাঁচা মরিচ কুচি, অরিগানো, গোলমরিচের গুঁড়া দিয়ে ভেজে রাখুন। বেগুন লম্বা ও একটু মোটা করে কাটুন।

মাষকলাইয়ের ডাল ৬ ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখুন। ধুয়ে পানি ঝরিয়ে ১ টেবিল চামচ পুদিনা, অর্ধেকটা (আধা টেবিল চামচ) কাঁচা মরিচ বাটা মিশিয়ে নিন।

বুট পরিষ্কার করে ধুয়ে ৬-৭ ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখুন। ফুলে ওঠার পর সামান্য হলুদ ও লবণ দিয়ে সেদ্ধ করে নিন।

বেসনের সঙ্গে বেকিং পাউডার, বেকিং সোডা, খাবার রং ও লবণ দিয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। তেল ও ঘি গরম করে বুন্দিয়া ভেজে নিন।

বেগুন আধা ইঞ্চি মোটা করে কেটে নিন। সামান্য লবণ মেখে ৫ মিনিট রেখে দিন।

এক টেবিল চামচ কুসুম গরম পানিতে ইস্ট ও চিনি ভিজিয়ে রাখুন। ময়দা, বেসন, জর্দার রং ও চালের গুঁড়া একসঙ্গে মেশান।

মুগডাল তাওয়ায় অল্প আঁচে টেলে নিন। যাতে পুড়ে না যায়, সেদিকে খেয়াল রাখবেন।

বুট ৬ থেকে ৭ ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখুন। পানিতে ভিজে ফুলে উঠলে পরিষ্কার করে ধুয়ে সামান্য লবণ দিয়ে সেদ্ধ করে নিন।