ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রে কাঁপল ইসরায়েলের তিন শহর, আহত ২০০
ইসরায়েলের আরাদ, দিমোনা ও তেল আবিব শহরে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় প্রায় ২০০ জন আহত হয়েছেন।
ইসরায়েলের আরাদ, দিমোনা ও তেল আবিব শহরে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় প্রায় ২০০ জন আহত হয়েছেন।
ইরানের হাতে হত্যার শিকার হলে যুক্তরাষ্ট্রের করণীয় বিষয়ে নির্দেশনা দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
জ্বালানি বাজার থেকে শুরু করে অভিবাসনপথ, ন্যাটো জোট থেকে জনতুষ্টিবাদী রাজনীতির উত্থান পর্যন্ত নানা ক্ষেত্রে এর ঢেউ ইতিমধ্যেই ইউরোপজুড়ে ছড়িয়ে পড়ছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে কূটনৈতিক যোগাযোগ সচল রাখার আপ্রাণ চেষ্টা করছে পাকিস্তান।
চলমান এই সংঘাতের ময়দানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল উভয় দেশই এফ-৩৫ ব্যবহার করছে। এসব যুদ্ধবিমানের একেকটির নির্মাণে ব্যয় হয় ১০ কোটি ডলারের বেশি।
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি যুদ্ধবিরতির পর সেনাদের গুলি বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন, তবে শর্ত না মানলে লড়াই চলবে। ১০ এপ্রিল শুক্রবার ইসলামাবাদে ১০ দফা প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা শুরু হবে। ট্রাম্প বলেছেন, হরমুজ প্রণালী খোলার উপর নির্ভর করছে যুদ্ধবিরতি।
ইরানি সামরিক বাহিনী দাবি করেছে, মার্কিন যুদ্ধজাহাজে পাল্টা হামলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করেছে। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম কেশম দ্বীপসহ বিভিন্ন স্থানে বিস্ফোরণের শব্দ নিশ্চিত করেছে। ট্রাম্প বলেছেন, তিনটি ডেস্ট্রয়ার নিরাপদে হরমুজ পার হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বোমা হামলায় তেহরানের সাধারণ মানুষের জীবিকা ধ্বংস হয়েছে। চশমার দোকান থেকে পারলার, স্টুডিও-রেস্তোরাঁ পর্যন্ত সব লণ্ডভণ্ড। তারা শুধু চান যুদ্ধ দ্রুত শেষ হোক।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, মিত্রদেশগুলো সহায়তা না দিলে সামরিক জোট ন্যাটোর ভবিষ্যৎ ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।
ইরানের আবারও হামলা চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয়েছে, যা বিশ্বনেতারা স্বাগত জানিয়েছেন। ইসলামাবাদে শান্তি আলোচনা শুরু হবে শুক্রবার। মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী শান্তির আহ্বান জানিয়েছে রাশিয়া, জাতিসংঘসহ বিভিন্ন দেশ।
প্রায় অর্ধশতাব্দী ধরে চলমান বৈরিতা, নিষেধাজ্ঞা, সামরিক হুমকি ও সংঘাতের পর ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক ঘোষণার ঘটনা ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভূরাজনৈতিক উন্নয়ন হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।