যুক্তরাষ্ট্র-ইরান: যুদ্ধ বন্ধে সমঝোতা স্মারক সই
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান: যুদ্ধ বন্ধে সমঝোতা স্মারক সই
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান: যুদ্ধ বন্ধে সমঝোতা স্মারক সই
প্রতিটি নতুন দফা হামলায় সমঝোতার রাজনৈতিক মূল্য ক্রমেই বাড়ছে। ফলে শান্তির সুবর্ণ সুযোগ হাতছাড়া হয়ে যেতে পারে বলে সতর্ক করেছেন বিশ্লেষকেরা।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগনের এক শীর্ষ কর্মকর্তা গত বুধবার জানিয়েছেন, ইরান যুদ্ধে এ পর্যন্ত ২ হাজার ৫০০ কোটি ডলার ব্যয় হয়েছে। তবে এটা প্রকৃত ব্যয়ের চেয়ে অনেক কম বলে ধারণা করা হচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয়েছে, যা বিশ্বনেতারা স্বাগত জানিয়েছেন। ইসলামাবাদে শান্তি আলোচনা শুরু হবে শুক্রবার। মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী শান্তির আহ্বান জানিয়েছে রাশিয়া, জাতিসংঘসহ বিভিন্ন দেশ।
ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধ বন্ধে আরও আলোচনার ভিত্তি হিসেবে ইরানের ১০ দফার প্রস্তাব ব্যবহারে সম্মতি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তেহরানের এই প্রস্তাবে অনাক্রমণের নিশ্চয়তা, নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, ক্ষতিপূরণসহ বিভিন্ন দাবি রয়েছে।
২৩ মার্চ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেছেন যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান সমঝোতার কিছু ‘প্রধান বিষয়ে’ একমত হয়েছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুমকির প্রতিক্রিয়া ইরান সরকার বলেছে, তারা ‘যুদ্ধ চায় না, তবে যুদ্ধের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত’।
ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর এখন পর্যন্ত জেডি ভ্যান্স দৃঢ়ভাবে প্রকাশ্য সমর্থন দেননি। ফলে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে ভাইস প্রেসিডেন্টের দূরত্ব স্পষ্ট হয়ে উঠছে।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির পাকিস্তান সফর নিয়ে অনেক আশা ছিল। ভাবা হয়েছিল, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সরাসরি আলোচনা আবার শুরু হবে।
ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে প্রায় ৫০ হাজার সেনা মোতায়েন করেছে। যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও সতর্কতা বজায় রেখেছে মার্কিন বাহিনী। ট্রাম্প শর্ত মেনে নিলে যুদ্ধ শেষ করবেন বলেছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘খুব শিগগির’ ইরান যুদ্ধ শেষ করার ইঙ্গিত দিয়েছেন। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও যুদ্ধের শেষসীমা দেখতে পাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন। যুদ্ধের অর্থনৈতিক প্রভাব এবং চলমান হামলার মধ্যে মার্কিন নাগরিকরা দ্রুত যুদ্ধবিরতি চান।
হরমুজ প্রণালিতে টোল আদায়ের বিরোধিতায় যুক্তরাষ্ট্র ও চীন একমত হয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের ইরান হামলার পর তেহরান এই জলপথ বন্ধ করে দিয়েছে। ট্রাম্প-সি চিন পিংয়ের বৈঠকে এই বিষয় আলোচিত হবে।