চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে পানি জমে স্থবিরতা, সড়কে জাল ফেলে মাছ ধরছেন স্থানীয়রা
টানা বৃষ্টিতে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের চন্দনাইশ অংশে পানি জমে যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে, স্থানীয়রা সড়কে জাল ফেলে মাছ ধরছেন।
টানা বৃষ্টিতে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের চন্দনাইশ অংশে পানি জমে যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে, স্থানীয়রা সড়কে জাল ফেলে মাছ ধরছেন।
চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে বন্যার পানির তোড়ে ঘর হারিয়েছেন ছেনোয়ারা বেগম। বুধবার রাতে বৈলছড়ি ইউনিয়নে এই ঘটনা ঘটে। বর্তমানে তিনি এস কে বি কনভেনশন হল আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করছেন।
উখিয়ার আশ্রয়শিবিরে পাহাড় ধসে বেঁচে যাওয়া মাদ্রাসাশিক্ষক জানালেন কী ঘটেছিল সেদিন
টানা বৃষ্টির কারণে পৃথক স্থানে পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটেছে রাঙামাটিতে। এতে চট্টগ্রাম-রাঙামাটি সড়ক এবং কাপ্তাইয়ের চন্দ্রঘোনা-বাঙ্গালহালিয়া সড়কে যান চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায়। সকাল থেকে এসব সড়কে যানবাহন চলাচল ব্যাহত হচ্ছে বলে জানা গেছে।
কক্সবাজারের উখিয়ার ৫ নম্বর আশ্রয়শিবিরে দেয়াল ধসে তিন মাদ্রাসাছাত্রীর মৃত্যু হয়েছে এবং ১৪ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। এখনও কয়েকজন মাটিচাপা পড়ে আছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটিতে একটানা অতি ভারী বৃষ্টিতে পাহাড়ি ঢলের পানিতে বিভিন্ন এলাকা ডুবে গেছে। ফলে খাগড়াছড়ি-রাঙামাটি এবং দীঘিনালা-লংগদু-সাজেক সড়কসহ বেশ কয়েকটি সড়কে যোগাযোগ বন্ধ থাকায় সাজেক পর্যটনকেন্দ্রে সাড়ে চার শতাধিক পর্যটক আটকা পড়েছেন।
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে টানা বৃষ্টিতে দুর্ভোগে পড়েছেন হাজারো মানুষ। বর্ষণের কারণে উপজেলার জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় চলাচলের একটি সড়ক ভেঙে খাদে পড়েছে। ভাটিয়ারী ইউনিয়নের জঙ্গল ভাটিয়ারী আশ্রয়ণ প্রকল্পের ১৫২টি পরিবারের মধ্যে ১২০টি পরিবারের ঘরে পানি ঢুকেছে।
চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারো পাহাড়ধসে ছয়জন নিহত, পাহাড়ি ঢলে তলিয়ে গেছে নিচু এলাকা
টানা ভারী বর্ষণে পাহাড়ধসের ঝুঁকি ও যোগাযোগব্যবস্থা বিঘ্নিত হওয়ায় রাঙামাটির সাজেক ভ্যালিতে পর্যটক যাতায়াতে সাময়িক নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে জেলা প্রশাসন।
কক্সবাজারের উখিয়ার আশ্রয়শিবির বালুখালীতে ভারী বৃষ্টিতে পাহাড়ধসের ঝুঁকি দেখা দিয়েছে; নিচু এলাকা ও শিবিরের রাস্তাঘাট পানিতে ডুবে থাকায় ভোগান্তি বাড়ছে বাসিন্দাদের মধ্যে।
প্রবল বর্ষণে খাগড়াছড়ি-রাঙামাটি সড়কের বিভিন্ন স্থান তলিয়ে যাওয়ায় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে এবং পাহাড়ধসের ঝুঁকিতে স্থানীয় বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে প্রশাসন।
বান্দরবানের নাফাখুম এলাকায় ভারী বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে আটকে পড়া ৬৯ পর্যটক ও ১০ গাইড মঙ্গলবার রেমাক্রি ইউনিয়নে নিরাপদ আশ্রয়ে ফিরেছেন। দুর্যোগের কারণে ১০ জুলাই পর্যন্ত জেলার সব পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা করেছে প্রশাসন।