তারেক রহমানের হাত ধরে বাংলাদেশের নতুন পথচলা শুরু
গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন তারেক রহমান। এরপর মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের শপথের মাধ্যমে নতুন সরকারের যাত্রা শুরু হয়।
গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন তারেক রহমান। এরপর মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের শপথের মাধ্যমে নতুন সরকারের যাত্রা শুরু হয়।
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী আজ সংসদে আগামী অর্থবছরের জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট উপস্থাপন করবেন।
তারেক রহমানের সামনে ‘স্টেটসম্যান’ হওয়ার সুযোগ এসেছে। সেটা কি তিনি সরকারপ্রধান হিসেবে হবেন, নাকি দলীয় প্রধান হিসেবে হবেন, নাকি সব ভূমিকা একত্র করে হবেন, সেটাই দেখার বিষয়। যেটাই ঘটুক আর যে ভূমিকাতেই তিনি থাকুন না কেন, পরিকল্পনার ভরকেন্দ্র তাঁর দিকেই ঝুঁকে থাকবে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, জনগণ যে বাংলাদেশ দেখতে চায়, সেই প্রত্যাশিত দেশ গড়ে তুলতে সরকার কাজ করে যাবে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বিদেশে যাওয়া এবং ফেরার সময় বিমানবন্দরে মন্ত্রিসভার জ্যেষ্ঠতম একজন মন্ত্রীসহ মোট চারজন উপস্থিত থাকবেন।
তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যের গড় বয়স প্রায় ৬০ বছর। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি বয়সী হলেন মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ, তাঁর বয়স ৮১ বছর। সবচেয়ে কম বয়সী সদস্য নুরুল হক নুরের বয়স ৩১ বছর।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজধানীর গুলশানের ১৯৬ নম্বর বাসভবনকে ‘বিশেষ শ্রেণির’ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা (কেপিআই) ঘোষণা করা হয়েছে। এর ফলে বাড়িটি এখন থেকে বিশেষ নিরাপত্তাব্যবস্থার আওতায় আসবে এবং কিছু বিধিনিষেধ কার্যকর থাকবে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ১২৯ জন খেলোয়াড়কে ক্রীড়া কার্ড ও ভাতা প্রদান করে বলেন, খেলাধুলা এখন পেশা। তিনি খেলোয়াড়দের রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিত্ব না করে দেশের গৌরব বয়ে আনার আহ্বান জানান। আগামী এপ্রিল থেকে ৫০০ জন খেলোয়াড়কে বেতনকাঠামোর আওতায় আনা হবে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দুই উপদেষ্টার দায়িত্ব বাড়ানো হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রথম বিদেশ সফর করলেন। মালয়েশিয়া হয়ে তিনি চীনে গিয়েছেন। প্রথম দেশ হিসেবে মালয়েশিয়া সফরকে আপনি কীভাবে মূল্যায়ন করছেন?
সরকার পরিবর্তনের পর কিছু পরিবর্তন স্বাভাবিক। নিয়োগ ও পদায়নে যেন মেধা ও যোগ্যতা প্রাধান্য পায়, সেটাই সবার প্রত্যাশা।
বিএনপির চেয়ারপারসন তারেক রহমান বিজেপির সভাপতি নিতিন নবীনের কাছে চিঠি পাঠিয়েছেন। দিল্লিতে হুমায়ুন কবির চিঠিটি বিজয় চোথাউওয়ালের হাতে তুলে দেন। বিজয় চোথাউওয়াল এক্সে এ তথ্য শেয়ার করেছেন।