
এনসিপিতে ‘জিয়া-খালেদার আদর্শ’ দেখছেন ইসহাক সরকার, যোগ দিচ্ছেন কাল
ছাত্রদল ও যুবদল—দুই সংগঠনেই সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন ইসহাক সরকার।

ছাত্রদল ও যুবদল—দুই সংগঠনেই সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন ইসহাক সরকার।

জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ দেশের ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও পাঁচ প্রতিষ্ঠানকে ‘স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৬’ পদক তুলে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

জাতীয় সংসদে সরকারদলীয় এমপি মুজিবুর রহমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও আরাফাত রহমানকে ‘শিশু মুক্তিযোদ্ধা’ এবং খালেদা জিয়াকে মুক্তিযোদ্ধা স্বীকৃতির দাবি তুলেছেন। আজ বুধবার রাষ্ট্রপতির ভাষণের ধন্যবাদ প্রস্তাবে এ দাবি জানান তিনি। এছাড়া তারেক রহমানের প্রশংসা করে বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি স্মরণ করিয়ে দেন।

এক-এগারোতে তারেক রহমানসহ বিএনপির নেতা-কর্মীদের নির্যাতনকারী ডিজিএফআইয়ের সাবেক কর্মকর্তা আফজাল নাছেরকে জুলাই আন্দোলনের এক হত্যামামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী বলেন, তিনি শেখ হাসিনার সহযোগী ছিলেন এবং খালেদা জিয়ার চিকিৎসা বাধাগ্রস্ত করেছিলেন। আদালত তার ছয় দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে।

তালিকায় আছে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া, বদরুদ্দোজা চৌধুরী, মতিয়া চৌধুরী, মনমোহন সিং, পোপ ফ্রান্সিস ও ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির নাম।

চব্বিশের অভ্যুত্থান বাংলাদেশের রাজনীতিকে প্রতিহিংসার বৃত্ত থেকে বের করে আনার বড় সুযোগ তৈরি করে দিয়েছে। অভ্যুত্থানের ঠিক দুই দিন পর ২০২৪ সালের ৭ আগস্ট বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বলেছিলেন, ‘ধ্বংস নয়, প্রতিশোধ নয়, প্রতিহিংসা নয়, ভালোবাসা, শান্তি ও জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গড়ে তুলি।’

প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময় ১৯৭৬ সালে একুশে পদক ও ১৯৭৭ সালে স্বাধীনতা পুরস্কার দেওয়া শুরু হয়। আর রোকেয়া পদক দেওয়া শুরু হয় ১৯৯৫ সালে খালেদা জিয়ার শাসনামলে। ১৯৭৭ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত পুরস্কারপ্রাপ্তদের তালিকা বিশ্লেষণে দেখা যায়, মোট ৩৮৩ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে স্বাধীনতা পুরস্কার দেওয়া হয়েছে, যেটি রাষ্ট্রীয় সর্বোচ্চ স্বীকৃতি। সর্বোচ্চ সংখ্যক ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে পুরস্কারটি দেওয়া হয়েছে এবার ২০২৬ সালে—২০ জনকে।

আজ ৭ মার্চ – ২০০৭ সালের এই দিনে বিনা ওয়ারেন্টে, বিনা মামলায় গ্রেপ্তার করা হয় বিএনপির চেয়ারম্যান, দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার যোগ্য উত্তরসূরী জনাব তারেক রহমানকে। মিথ্যা অভিযোগে নির্যাতন চালিয়েও ষড়যন্ত্রকারীরা তাঁকে দমাতে পারেনি – আজ তিনি জাতির আশা-ভরসা!

সকালে গুলশানে যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী পল কাপুরের সঙ্গে বৈঠক করেছে বিএনপির প্রতিনিধিদল।

আওয়ামী লীগের দেড় দশকের শাসনকালে দমন-পীড়নের মধ্যে যে কয়েকজন বিএনপির ঝান্ডা ধরে রেখেছিলেন, তাঁদেরই একজন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। হামলার মুখে পড়েছেন, জেলে গিয়েছেন, তার মধ্যেই দলের মহাসচিবের দায়িত্ব পালনে অবিচল ছিলেন তিনি। খালেদা জিয়ার সরকারে প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা নিয়ে এবার পূর্ণ মন্ত্রীর দায়িত্ব পেলেন তিনি।

চাঁদপুর–১ আসনের সংসদ সদস্য এহছানুল হক মিলন ২০০১ সালে খালেদা জিয়ার সরকারে শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ছিলেন।

আসুন, কোন দেশে কোন কোন পরিবারের তিনজন সদস্য দেশ পরিচালনা করেছেন, সেটা দেখে নিই—