
যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব, ইরানের প্রত্যাখ্যান
যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব, ইরানের প্রত্যাখ্যান

যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব, ইরানের প্রত্যাখ্যান

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উত্তেজনা কমানো বা যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিমান হামলায় খামেনি ও পাকপুর নিহত হওয়ার পর ইরানের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা পর্ষদের সেক্রেটারি আলী লারিজানি জ্বালাময়ী বক্তব্য দিয়েছেন।

তালিকায় আছে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া, বদরুদ্দোজা চৌধুরী, মতিয়া চৌধুরী, মনমোহন সিং, পোপ ফ্রান্সিস ও ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির নাম।

বাবার হত্যাকাণ্ডের পর নিরাপত্তা শঙ্কাও মোজতবার নীরব থাকার সম্ভাব্য কারণ হতে পারে

ইরান নিয়ে ট্রাম্পের হিসাবে কি ভুল হলো

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করে। জাতিসংঘের কোনো অনুমোদন তো দূরের কথা, কোনো পূর্বঘোষণাও ছিল না। ওই হামলায় ইরানকে লক্ষ্যবস্তু করা হয় এবং নিহত হন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি।

ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের যুদ্ধে ভারত পক্ষ নিয়েছে ইসরায়েলের, ইরানের টর্পেডো ডুবিয়ে দেওয়া নিয়ে রয়েছে নিশ্চুপ, আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি হত্যার কোনো প্রতিক্রিয়াও জানায়নি।

যুদ্ধে বহুল ব্যবহৃত একটি কৌশল হলো শত্রুপক্ষের নেতৃত্বকে সরিয়ে দেওয়া। কখনো কখনো এই কৌশল কার্যকর হতে পারে।

জাপান সরকার এখনো দোলাচল কাটিয়ে উঠতে পারেনি। ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চালানো যৌথ হামলা এবং সেই হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার পর এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া জাপান সরকারের পক্ষ থেকে দেখানো হয়নি। বিস্তারিত তথ্যের ঘাটতির কথা বলছে সরকার।

ইরানি সুপ্রিম লিডার আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যু এবং পাল্টাপাল্টি হামলার এই ডামাডোলে বড় এক প্রশ্নচিহ্ন ঝুলে গেছে আগামী জুনে হতে যাওয়া ফুটবল বিশ্বকাপের ওপর।

যুদ্ধ এখন মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে