
‘সুন্নাহ’ অনুধাবনে সাহাবিদের কথা কেন মানতে হবে
সাহাবিদের বক্তব্যের কথা যখন বলা হয়, তখন মূলত তাঁদের ‘ইজমা’কে বোঝানো হয়। যদি কোনো বিষয়ে সাহাবিরা একমত হন, তবে সেই ব্যাখ্যা গ্রহণ করা বাধ্যতামূলক।

সাহাবিদের বক্তব্যের কথা যখন বলা হয়, তখন মূলত তাঁদের ‘ইজমা’কে বোঝানো হয়। যদি কোনো বিষয়ে সাহাবিরা একমত হন, তবে সেই ব্যাখ্যা গ্রহণ করা বাধ্যতামূলক।

প্রকৃত শিক্ষা তা-ই যা একজন শিক্ষার্থীকে ভবিষ্যতে জাতির পথপ্রদর্শক হিসেবে গড়ে তোলে। আর সেই শিক্ষার আদর্শ রূপ হতে হবে নববি শিক্ষার আদলে।

ইসলামি সভ্যতা ও ইতিহাস ঘাটলে দেখা যায় যে মুসলিম বিজ্ঞানী ও চিন্তাবিদেরা প্রাণীর প্রতিটি প্রজাতি ও প্রকারভেদ নিয়ে কতটা আগ্রহী এবং সচেতন ছিলেন।

শাসকদের ভুল ধরিয়ে দেওয়ার যে অধিকার ইসলাম সাধারণ নাগরিককে দিয়েছে, তা চৌদ্দ শ বছর আগে যেমন প্রাসঙ্গিক ছিল, আজও একটি ন্যায়নিষ্ঠ রাষ্ট্র বিনির্মাণে অপরিহার্য।

এমন কোনো বিধান যা অকাট্যভাবে প্রমাণিত এবং যা সাধারণ ও বিশেষজ্ঞ—সকল স্তরের মুসলিমের কাছে স্পষ্টভাবে পরিচিত, তা অস্বীকার করা ইসলামি বিশ্বাস পরিপন্থী।

ইসলামের মৌলিক উৎস কোরআন ও সুন্নাহ নারীকে পুরুষের অনুগামী নয়, পরিপূরক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। জাহেলি যুগের নৃশংস প্রথা উৎখাত করে নারীকে সম্মান ও স্বাধীনতা দিয়েছে। কোরআনের আয়াতগুলো এই সমতার সাক্ষ্য বহন করে।

ইসলামি রাষ্ট্রে চুক্তিবদ্ধ অমুসলিমদের জান-মালের নিরাপত্তা মুসলিমের মতোই সমান এবং অলঙ্ঘনীয় বলে ফকিহরা একমত। কুরআন, হাদিস ও খলিফাদের ইতিহাস থেকে এই অধিকারগুলোর সাক্ষ্য পাওয়া যায়। ধর্মীয় স্বাধীনতা ও ভরণপোষণের দায়িত্বও রাষ্ট্রের ওপর।

কোরআন ও হাদিসে বর্ণিত নামাজের গুরুত্ব এবং এর মাধ্যমে পাপ ও মন্দ কাজ থেকে বিরত থাকার প্রক্রিয়া তুলে ধরা হয়েছে। নবীজি (সা.)-এর উদাহরণসহ নামাজের প্রভাব ও খুশু-খুজুরের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে। সঠিকভাবে আদায় করা নামাজ জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনে।

মহানবী (সা.)-এর যুগের সাহাবীদের বিভিন্ন পেশা থেকে ইসলামী কর্মসংস্কৃতির আদর্শ উদ্ভাসিত হয়। কুরআন ও হাদিসের আলোকে পেশাগত নৈতিকতা ও প্রযুক্তিযুগে ভারসাম্যের পথ দেখানো হয়েছে। দারিদ্র্য নিরসনে সভ্যতা-নির্মাণের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে।

ধৈর্য মানে আল্লাহর ওপর ভরসা রেখে আবেগ নিয়ন্ত্রণ করা। ছয়টি ধাপে আবেগ লিখে পর্যবেক্ষণ করে মানসিক স্থিরতা অর্জন করা যায়। হাদিস ও কুরআনের আলোকে এই সহজ কৌশল জীবনে প্রয়োগ করুন।

শোনার এই গুণটি স্বয়ং আল্লাহর। তিনি ইবলিসের মতো অভিশপ্ত সত্তার যুক্তিহীন দাবিগুলোও মন দিয়ে শুনেছিলেন, যার বর্ণনা কোরআনের সাত জায়গায় এসেছে।

হাদিস শাস্ত্রের ইতিহাসে কারিমা বিনতে আহমদ (রহ.)-এর নাম স্বর্ণাক্ষরে লিপিবদ্ধ। ১০০ বছর জীবনযাপন করে তিনি সহিহ বুখারির বিশুদ্ধতা রক্ষায় অসাধারণ অবদান রাখেন। মক্কায় বসবাস করে বিশ্বের আলেমগণ তাঁর কাছে জ্ঞান লাভ করেছিলেন।