
ইসলামপন্থীদের ভোট তিন বাক্সে বিভক্ত
জামায়াতসহ পাঁচটি ইসলামি দল এক মোর্চায়, বিএনপির সঙ্গে তিনটি এবং ইসলামী আন্দোলন এককভাবে ভোট করছে।

জামায়াতসহ পাঁচটি ইসলামি দল এক মোর্চায়, বিএনপির সঙ্গে তিনটি এবং ইসলামী আন্দোলন এককভাবে ভোট করছে।

ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীরা ২৭০ আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছে।

অনেক টানাপোড়েন, দেনদরবার ও শেষ মুহূর্তে টানা বৈঠকের পর জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে ১০টি দল নির্বাচনী সমঝোতায় পৌঁছেছে।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীসহ ১১টি রাজনৈতিক দলের ‘১১-দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের’ আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বৈঠকে বসে জামায়াতে ইসলামীসহ ১০ দলের শীর্ষ নেতারা।

রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বৈঠকে বসেন ১০ দলের শীর্ষ নেতারা।

দফায় দফায় বৈঠক করেও জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ গতকাল বুধবার রাত পর্যন্ত আসন সমঝোতায় পৌঁছাতে পারেনি।

জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে আসন সমঝোতা যখন জটিলতায়, তখন নতুন জোটের ইঙ্গিত দিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব ও মুখপাত্র গাজী আতাউর রহমান।

জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে চরমোনাই পীর সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীমের ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এবং আল্লামা মামুনুল হকের বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস নির্বাচনী আসন সমঝোতায় থাকবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। আসন বণ্টন বিষয়ে অসন্তোষ থেকেই এই অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচার-প্রচারণা শুরুর আগে পিরোজপুরের তিনটি আসনের প্রার্থীরা সামাজিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠান, দলীয় সভা এবং নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের সঙ্গে মতবিনিময়ের মাধ্যমে মাঠে সক্রিয় আছেন।

আসন সমঝোতার আলোচনায় থাকা ইসলামী আন্দোলন শুরু থেকে শতাধিক আসনে নির্বাচন করতে চেয়েছিল।

চাঁপাইনবাবগঞ্জের তিনটি আসনে বিএনপি ও জামায়াতের পাশাপাশি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, গণ অধিকার পরিষদ, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তি জোট, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) মোট ১৩ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আছেন।