
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনা কি ব্যর্থ হলো, চুক্তি না হওয়ার অর্থ কী দাঁড়াচ্ছে
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যৌথভাবে হামলা চালায়।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যৌথভাবে হামলা চালায়।

দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি এক শান্তিচুক্তির ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় বাধা মনে হচ্ছে বিশ্বাসের ঘাটতি।

পেন্টাগন ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন বাড়াতে একাধিক চুক্তি স্বাক্ষর করেছে

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি ইরানের গভীর অবিশ্বাস পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে

আগামীকাল বুধবার এ যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হবে

ওয়াশিংটনের প্রতি অনাস্থার বিষয়টি আবার তুলে ধরে ইরানের স্পিকার বলেন, যুক্তরাষ্ট্রকে তেহরান বিশ্বাস করে না এবং যেকোনো মুহূর্তে আবারও লড়াই শুরু হতে পারে।

চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত ইরানের ওপর নৌ-অবরোধ বহাল থাকার ঘোষণা ট্রাম্পের।

ইসলামাবাদে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের ইরানের সঙ্গে আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পরও নতুন দর-কষাকষির সম্ভাবনা রয়েছে। লেখকের অভিজ্ঞতা থেকে জানা যায়, ইরানিদের কাছে চুক্তি মানেই নতুন আলোচনার শুরু। ট্রাম্পের চরম অবস্থান এবং ইরানের কৌশল টেকসই শান্তি বাধা দিচ্ছে।

ইসলামাবাদে ২১ ঘণ্টা আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের কোনো সমঝোতা হয়নি। ভ্যান্স ইরানকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, চুক্তি না হলে তেহরানের জন্য আরও খারাপ পরিণতি অপেক্ষা করছে। আলোচনা চলাকালে মার্কিন প্রতিনিধিদল নিয়মিত প্রেসিডেন্টের সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছিল।

ডোনাল্ড ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, ইরান চুক্তি না মানলে আবার হামলা হবে। লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় ২৫৪ জন নিহত, ১ হাজার ১১০ জনের বেশি আহত। ইরান শান্তি আলোচনাকে অযৌক্তিক বলেছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের যুদ্ধবিরতি চুক্তি নিয়ে ইসরায়েল অনিচ্ছুক হলেও ট্রাম্পের সিদ্ধান্ত মেনে চলবে। ইসরায়েলি সূত্র সিএনএনকে এ তথ্য দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু ট্রাম্পের সিদ্ধান্তকে সম্মান করবেন বলে নিশ্চিত করেছেন।

ট্রাম্পের কঠোর হুমকি সত্ত্বেও ফিলিপাইন, ভারত, পাকিস্তানসহ এশিয়ার দেশগুলো ইরানের সঙ্গে চুক্তি করে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছে। উপসাগরীয় তেলের ওপর নির্ভরশীল এ দেশগুলো কূটনীতির মাধ্যমে পথ খুঁজে নিচ্ছে। তবে চুক্তিগুলোর স্থায়িত্ব নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।