ইরানের প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান কেন পাকিস্তান ছুটছেন
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তির পরই পাকিস্তানে ইরানের প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান। এটি মধ্যস্থতার স্বীকৃতি ও রাজনৈতিক কৌশল।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তির পরই পাকিস্তানে ইরানের প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান। এটি মধ্যস্থতার স্বীকৃতি ও রাজনৈতিক কৌশল।
ইরান বারবার ইঙ্গিত দিয়েছে, তেহরানের জব্দ থাকা সম্পদের অন্তত একাংশ অবমুক্ত না হলে চুক্তি না–ও হতে পারে।
সমঝোতা স্মারক সই হতে না হতেই আবারও পাল্টাপাল্টি হামলায় জড়িয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান। এতে এই সমঝোতা চুক্তি কতটা নাজুক অবস্থায় রয়েছে, তা প্রকাশ পেয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান অবশেষে একটি চুক্তিতে পৌঁছেছে। চুক্তি অনুযায়ী, আগামী ৬০ দিন তেহরান কোনো শুল্ক বা টোল ছাড়াই জাহাজগুলোকে হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলের অনুমতি দেবে; যার বিনিময়ে ওয়াশিংটন তাদের নৌ-অবরোধ তুলে নেবে, ইরানের তেলের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা শিথিল করবে এবং ইরানের জব্দ করা অর্থ ফেরত পাওয়ার ক্ষেত্রে সহযোগিতা করবে। একই সঙ্গে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনাও শুরু হতে যাচ্ছে।
ট্রাম্প গত রোববার এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, এই চুক্তি আগামী ১৫ থেকে ২০ বছরের জন্য ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিকে নিয়ন্ত্রণে রাখবে।
আজ শনিবার সিঙ্গাপুরে এ কথা বলেছেন হেগসেথ।
ইরানের সঙ্গে শান্তিচুক্তি না হলে খারাপ সময় আসতে পারে বলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি এক শান্তিচুক্তির ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় বাধা মনে হচ্ছে বিশ্বাসের ঘাটতি।
চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত ইরানের ওপর নৌ-অবরোধ বহাল থাকার ঘোষণা ট্রাম্পের।
ট্রাম্প যখন এই অজনপ্রিয় ইরান যুদ্ধ থেকে নিজেকে গুটিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন, চুক্তি করতে যাচ্ছেন, তখন মনে হচ্ছে তিনি উল্টো তাঁর অন্যপক্ষের সমর্থকদের ক্ষুব্ধ করতে যাচ্ছেন।
প্রস্তাবিত চুক্তি অনুযায়ী পারস্য উপসাগরে প্রবেশকারী জাহাজের ওপর ইরানের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত হলে মধ্যপ্রাচ্যে তেহরানের প্রভাব আরও শক্তিশালী হয়েছে বলেই ধরা হবে।
ইরানের সঙ্গে পারমাণবিক বিষয়ে একটি চুক্তি করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র।