
কেটে ফেলা পাহাড়ের পাদদেশে বেড়ার ঘর, ধসের আতঙ্কে বালুখালী আশ্রয়শিবির
কক্সবাজারের উখিয়ার আশ্রয়শিবির বালুখালীতে ভারী বৃষ্টিতে পাহাড়ধসের ঝুঁকি দেখা দিয়েছে; নিচু এলাকা ও শিবিরের রাস্তাঘাট পানিতে ডুবে থাকায় ভোগান্তি বাড়ছে বাসিন্দাদের মধ্যে।

কক্সবাজারের উখিয়ার আশ্রয়শিবির বালুখালীতে ভারী বৃষ্টিতে পাহাড়ধসের ঝুঁকি দেখা দিয়েছে; নিচু এলাকা ও শিবিরের রাস্তাঘাট পানিতে ডুবে থাকায় ভোগান্তি বাড়ছে বাসিন্দাদের মধ্যে।

প্রবল বর্ষণে খাগড়াছড়ি-রাঙামাটি সড়কের বিভিন্ন স্থান তলিয়ে যাওয়ায় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে এবং পাহাড়ধসের ঝুঁকিতে স্থানীয় বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে প্রশাসন।

বান্দরবানের নাফাখুম এলাকায় ভারী বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে আটকে পড়া ৬৯ পর্যটক ও ১০ গাইড মঙ্গলবার রেমাক্রি ইউনিয়নে নিরাপদ আশ্রয়ে ফিরেছেন। দুর্যোগের কারণে ১০ জুলাই পর্যন্ত জেলার সব পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা করেছে প্রশাসন।

কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরে পাহাড় ধসে নারী-শিশুসহ অন্তত ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে।

কুড়িগ্রামের চিলমারী ইউনিয়নের চর কড়াইবরিশাল, বিশারপাড়া আশ্রয়ণ প্রকল্প ও চর শাখাহাতি এলাকায় অন্তত ৭০টি পরিবার বসতভিটা হারিয়েছে। ভাঙনের ঝুঁকিতে আছে আরও প্রায় ৩০০টি পরিবার।

রোববারের হামলার পর দুই সাবেক মিত্রের মধ্যে চলমান বিরোধ তীব্র হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। ফেব্রুয়ারিতে উভয় পক্ষ কয়েক বছরের মধ্যে সবচেয়ে বড় সংঘর্ষে জড়িয়েছিল।

উত্তর আফ্রিকা ও আন্দালুসের রাজদরবারে দীর্ঘ রাজনৈতিক টানাপোড়েনে বিপর্যস্ত হয়ে ৭৮৪ হিজরিতে ইবনে খালদুন মিসরে আশ্রয় নেন। জীবনের শেষ দুই দশক তিনি কাটান কায়রো শহরে।

কানাডায় রিফিউজি আশ্রয়প্রার্থীরা চরম দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছেন। দুই বছরের বেশি সময় ধরে শুনানির খবর নেই, নতুন আইনে কড়াকড়ি বাড়ছে।

কক্সবাজারের উখিয়া রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরে পাঁচটি দিন কাটানোর অভিজ্ঞতা কেবল একটি একাডেমিক গবেষণার অংশ ছিল না, এটি ছিল সংখ্যার আড়ালে লুকিয়ে থাকা লাখো মানুষের জীবনসংগ্রাম খুব কাছ থেকে দেখার সুযোগ।

ঢাকার ৪৪৫টি স্থানকে আসন্ন ভূমিকম্পের নিরাপদ আশ্রয়স্থল হিসেবে চিহ্নিত করতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রস্তাব প্রেরণ।

আজ ২০ জুন, বিশ্ব শরণার্থী দিবস। ক্যালেন্ডারের পাতায় দিনটি প্রতিবছর আসে, কিন্তু কক্সবাজারের টেকনাফ ও উখিয়ার আশ্রয়শিবিরগুলোয় বসবাসকারী ১৪ লাখ রোহিঙ্গার জীবনে এই দিন কোনো নতুন আশার বার্তা নিয়ে আসে না। বরং খাদ্যসহায়তার টানাপোড়েন ও অনিশ্চিত প্রত্যাবাসনের ‘গোলকধাঁধায়’ স্বজন হারানো আর জন্মভূমি ছাড়ার স্মৃতিগুলো এই দিনে আরও প্রকট হয়ে ওঠে।

এই ঘটনা কোনো আকস্মিক দুর্ঘটনা নয়, বরং এটি পরিকল্পনাহীনতা, অব্যবস্থাপনা এবং দায়িত্বহীনতার ফল।