দিলীপকুমার ভট্টাচার্য্য স্মারক বক্তৃতা ’০৭
খ্রিষ্টীয় ষষ্ঠ শতকে পারস্য সম্রাট খসরু নওশেরওয়া সংস্কৃত পঞ্চতন্ত্রের একটি পাহলভি অনুবাদ করিয়েছিলেন কালিলা ওয়া দিমনা নামে।
খ্রিষ্টীয় ষষ্ঠ শতকে পারস্য সম্রাট খসরু নওশেরওয়া সংস্কৃত পঞ্চতন্ত্রের একটি পাহলভি অনুবাদ করিয়েছিলেন কালিলা ওয়া দিমনা নামে।
তিনি যে একাগ্রতার উজ্জ্বলতা, পরীক্ষা-নিরীক্ষার ঝুঁকি, রং, রূপ, আবেগের যে স্পষ্টতা নিয়ে সৃজনপথ অনুসরণ করেছিলেন, তা আমরা বিস্মরিত হতে পারি।
ওয়াইল্ড তাঁর চোখে বিশ্বের শ্রেষ্ঠ সাহিত্যিকদের একজন হওয়ার অযোগ্য। জীবনানন্দ দাশের মতে, অস্কার ওয়াইল্ড ‘বিচিত্র সাহিত্যিক ধুরন্ধর’, যার শক্তি ছিল কিন্তু প্রতিভা ছিল না।
শুধু রাজনৈতিক কবিতার মধ্যে লিভারটভের সুনাম সীমাবদ্ধ থাকেনি; কবিতার আঙ্গিক নিয়ে তাঁর ‘অর্গানিক ফর্ম’ তত্ত্বটি আজও বিশ্বজুড়ে শিক্ষার্থীদের পড়ানো হয়।
আমি তখন এমন অবস্থায় ছিলাম যে ভাগ্য মেনে নেওয়া ছাড়া আর উপায় ছিল না। মাথা নিচু করলাম। তখনো বুঝতে পারিনি যে আমি এক ভয়ঙ্কর ফাঁদে পা দিয়েছি—
আমাদের সামাজিক অস্তিত্বের মধ্যে এই টানাপোড়েন, এই দোদুল্যমানতা নিহিত আছে এবং এ থেকে পালিয়ে যাওয়ার কোনো উপায় নেই।
এহেন ভাবিতেই অকস্মাৎ চমকাইয়া উঠিলাম: ঠাহর করিলাম পৃষ্ঠদেশে আমার ভয়াবহ একটা কিল পড়িয়াছে।
আমার মনের বনে যে ঘন শীত পড়ছে, তা নিবারণ করতে তুমি আসবে তো হিমা? একজন বলল, ‘আপনার কবিতায় এত এত মৃত্যু আসে কেন?’
ইয়োশিয়া নিজেকে প্রশ্ন করে। আমি কি এমন কোনো বন্ধন নিশ্চিত করতে চাইছি, যা আমাকে এখন এখানে টিকিয়ে রাখতে সাহায্য করে?
একই পরিস্থিতিতে ও পরিবেশে দীর্ঘদিন একই ধরনের কাজে নিয়োজিত থাকার ফলে এক ধরনের অভ্যাস, রীতি, দৃষ্টিভঙ্গি, ছন্দ, অভিজ্ঞতা, জ্ঞান ও মূল্যবোধ গঠিত হয়।
দ্য লিটল প্রিন্স সাঁ-জুপেরিকে অমরত্ব দিয়েছে। আলোড়িত করেছে, করে যাচ্ছে অগণিত পাঠকের মন।
সে জানে কীভাবে মানুষ তাদের জীবন কাটানোর নানা পরিকল্পনা করে আর তারপর তেমন জীবন সে কোনো দিন কাটায় না।