
আওয়ামী লীগের ‘ক্ষোভের ভোটে’ জামায়াতের জয়, বিএনপির বিভক্তিও আলোচনায়
ফরিদপুর-১ আসনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এর আগে আওয়ামী লীগ ছাড়া অন্য কোনো দলের প্রার্থীর জয়ের রেকর্ড ছিল না।

ফরিদপুর-১ আসনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এর আগে আওয়ামী লীগ ছাড়া অন্য কোনো দলের প্রার্থীর জয়ের রেকর্ড ছিল না।

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল। বিএনপির প্রার্থী হয়ে এবারের নির্বাচনে নরসিংদী-৪ (মনোহরদী-বেলাব) আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন তিনি।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কক্সবাজার-২ (মহেশখালী-কুতুবদিয়া) আসন থেকে প্রার্থী হয়েছিলেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ। তাঁর জয়ের ব্যাপারে দলটির নেতা-কর্মীরা শুরু থেকেই বেশ আশাবাদী ছিলেন। তবে ৩৩ হাজার ৬৫৪ ভোটের ব্যবধানে বিএনপি প্রার্থী আলমগীর মুহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদের কাছে পরাজিত হন তিনি।

বিচারকের চাকরি ছেড়ে বিএনপির রাজনীতিতে যুক্ত হয়েছিলেন দীপেন দেওয়ান। কিন্তু আইনি জটিলতায় ২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারেননি তিনি। তারপর দীর্ঘ অপেক্ষা।

সদ্য সমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লালমনিরহাট-৩ (সদর) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর চেয়ে প্রায় ৮৪ হাজার ভোট বেশি পেয়ে জয়লাভ করেন বিএনপির মনোনীত প্রার্থী আসাদুল হাবিব দুলু।

আজ মঙ্গলবার বেলা ১টা ২০ মিনিটের পর জাতীয় সংসদ ভবনের শপথকক্ষে সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহসহ দলটির ছয় নবনির্বাচিত প্রার্থী।

নেত্রকোনার পাঁচটি আসনের মধ্যে শুধু নেত্রকোনা-৫ (পূর্বধলা) আসনে বিএনপির প্রার্থী মো. আবু তাহের তালুকদার কেন পরাজিত হলেন, সেই হিসাব কষছেন নেতারা।

অভ্যন্তরীণ কোন্দল থেকে বিদ্রোহী প্রার্থীর চাপ, চাঁদাবাজি-দখল ও প্রার্থী নির্বাচনে ভুল—এসব কারণ বাগেরহাটে বিএনপির বড় পরাজয়ের কারণ বলে ধারণা রাজনীতিসচেতন স্থানীয়দের।

রংপুরকে বলা হতো জাতীয় পার্টির ঘাঁটি। সেখানে জামায়াতের উত্থান নিয়ে যেমন আলোচনা হচ্ছে, তেমনি কথা হচ্ছে বিএনপি প্রার্থীদের পরাজয় নিয়েও।

যশোর-৪ (অভয়নগর, বাঘারপাড়া ও সদর উপজেলার একাংশ) আসনটি বরাবরই আওয়ামী লীগের ‘ঘাঁটি’ হিসেবে পরিচিত। এই আসনে ১৯৯১, ১৯৯৬ ও ২০০৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা জয়ী হন।

এবার আওয়ামী লীগবিহীন ভোটে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর পাশাপাশি নিজ দলের বিদ্রোহী প্রার্থীদের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে আসন পুনরুদ্ধার করেছেন ধানের শীষের প্রার্থীরা।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে চাঁদপুর-২ (মতলব উত্তর ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা) আসনের নির্বাচনী একবারও আসেননি নাগরিক ঐক্যের প্রার্থী এনামুল হক। তবে তিনি পেয়েছেন মোট ১৩৮ ভোট।