ইরানের সঙ্গে চুক্তি নাগালেই ছিল, সর্বনাশ করেছে সামাজিকমাধ্যমে ট্রাম্পের পোস্ট
যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি ইরানের গভীর অবিশ্বাস পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি ইরানের গভীর অবিশ্বাস পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে
ওয়াশিংটনের প্রতি অনাস্থার বিষয়টি আবার তুলে ধরে ইরানের স্পিকার বলেন, যুক্তরাষ্ট্রকে তেহরান বিশ্বাস করে না এবং যেকোনো মুহূর্তে আবারও লড়াই শুরু হতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত রোববার ইরানের বন্দরগুলোর ওপর অবরোধ আরোপের ঘোষণা দেন।
আরবের শাসকেরা কি যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তার আশায় বসে থাকবেন, নাকি পরিবর্তিত নতুন বিশ্বের সঙ্গে নিজেদের খাপ খাওয়ানোর চেষ্টা করবেন?
যুক্তরাষ্ট্র শান্তি আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর ইরানি বন্দরে নৌ-অবরোধ কার্যকর করেছে। ট্রাম্পের নির্দেশে ইরানের অর্থ সরবরাহকারী জাহাজ আটকানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আইনজ্ঞরা এটিকে আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন বলছেন।
ইরানি বন্দরগুলোয় সব ধরনের সামুদ্রিক যাতায়াতের ওপর অবরোধ আরোপ করেছে মার্কিন সেনাবাহিনী।
যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী সোমবার থেকে ইরানের সব বন্দর অবরোধ করার হুমকি দিয়েছে। পাকিস্তানে শান্তি আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর এই ঘোষণা সংঘাতের আশঙ্কা বাড়িয়েছে। তেলের দামও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।
যুদ্ধবিরতিতে ইরানের বাজারে কিছুটা স্বস্তি এলেও বিক্রি যুদ্ধপূর্বের তুলনায় অনেক কম। ইন্টারনেট শাটডাউন ও মূল্যস্ফীতিতে অর্থনীতি ধ্বংসপ্রাপ্ত। ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের জীবিকা বিপন্ন।
আয়ারল্যান্ডের শ্যানন বিমানবন্দরে সংরক্ষিত এলাকায় ঢুকে মার্কিন সামরিক ‘সি-১৩০ হারকিউলিস’ উড়োজাহাজে ক্ষতিসাধনের অভিযোগে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঘটনায় বিমানবন্দরের কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে দুটি ফ্লাইট বিলম্বিত হয়। তদন্ত চলছে।
ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের আলোচনায় ওয়াশিংটন পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ে কোনো আপস করবে না—এই অবস্থান স্পষ্ট করে দিয়েছে। থায়ার মার্শাল ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ডেভিড ডেস রোচেস বলেছেন, এটি ইরানের জন্য অপ্রত্যাশিত ছিল। ২১ ঘণ্টার আলোচনা সত্ত্বেও জেডি ভ্যান্সের অংশগ্রহণ প্রশাসনের আন্তরিকতা দেখায়।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে হওয়া যুদ্ধবিরতি শেষ পর্যন্ত স্থায়ী কূটনৈতিক সমাধানে যাবে কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়। তবে দুটি বিষয় ইতিমধ্যেই পরিষ্কার। এক. যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত বিশ্বাসযোগ্যতা বড় ধাক্কা খেয়েছে। দুই. উপসাগরীয় দেশগুলো এক কঠিন ও অস্বস্তিকর অবস্থায় পড়েছে।
কাতারএনার্জি এলএনজি উৎপাদন পুনরায় চালু করতে কাজ শুরু করেছে। রাস লাফানের কিউআইএলএনজি নর্থ ১ প্রকল্পের দুটি ট্রেন চালু হয়েছে। তবে পূর্ণ উৎপাদনের জন্য হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক হওয়া জরুরি।