ঢাকা–১০ আসনে ব্যাপক চাঁদাবাজির অভিযোগ জামায়াত প্রার্থীর
ঢাকা–১০ আসনে চাঁদাবাজি, দখল ও সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলে জামায়াতের প্রার্থী নির্বাচনী প্রচারে কঠোর ব্যবস্থার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
ঢাকা–১০ আসনে চাঁদাবাজি, দখল ও সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলে জামায়াতের প্রার্থী নির্বাচনী প্রচারে কঠোর ব্যবস্থার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
সোমবার মেহেরপুর, চুয়াডাঙ্গা ও ঝিনাইদহে কর্মসূচি শেষে ফেরার পথে রাতে মাগুরা আদর্শ ডিগ্রি কলেজ মাঠে নির্বাচনী সমাবেশে এ কথা বলেন জামায়াতের আমির শফিকুর রহমান।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচার ২২ জানুয়ারি শুরু হয়েছে।
ঝিনাইদহে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় তিনি বলেছেন, ‘দুর্নীতিবাজদের হাতে ব্যন্ডেজ দিয়ে হাত মুট করে দেওয়া হবে, যাতে তারা ওই হাত দিয়ে দুর্নীতি করতে না পারে।’
ধামরাইয়ের ধানতারা বাজারে প্রচারণা শেষে এনসিপি প্রার্থী নাবিলা তাসনিদ গোমগ্রাম বাজারে প্রচারণা চালাতে যান। বাজারে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে ভোট চান তিনি।
দলের মনোনয়ন না পেয়েও মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া মনোনয়নপত্র জমা দেন বিএনপির প্রার্থী হিসেবে। তিনিই এখন কুমিল্লা-১০ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী।
আবদুল হালিম টাঙ্গাইল-৪ আসনে বিএনপির মনোনয়ন চেয়েছিলেন। বিএনপির এ আসনে মনোনয়ন দেয় দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য লুৎফর রহমান ওরফে মতিনকে।
বরগুনা-২ (বামনা-পাথরঘাটা-বেতাগী) আসনে জামায়াত ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী সুলতান আহমেদ বলেছেন, পৃথিবীর কোনো দেশে আমেরিকা (যুক্তরাষ্ট্র) চায় না ইসলামি দলের নেতৃত্বে সরকার গঠিত হোক।
লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় নির্বাচনী প্রচার চালানোকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।
বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনে নির্বাচনী প্রচারের চতুর্থ দিনে কেটলি প্রতীক নিয়ে মাঠে নেমেছেন নাগরিক ঐক্যের প্রার্থী মাহমুদুর রহমান মান্না।
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট চাওয়ার জন্য চাঁপাইনবাবগঞ্জের বরেন্দ্রভূমির ঝিলিম ইউনিয়নের ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী গ্রামগুলোয় এখনো কোনো রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরা ভোট চাইতে যাননি বলে জানিয়েছেন তাঁরা।
চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনে এলডিপির প্রার্থী এম এয়াকুব আলীকে সমর্থন দিয়ে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন জামায়াতের প্রার্থী মোহাম্মদ ফরিদুল আলম।