ভারত থেকে দেড় হাজার কোটি টাকার ডিজেল কিনবে সরকার
প্রতি ব্যারেল ডিজেলের প্রিমিয়াম ৫ দশমিক ৫০ মার্কিন ডলার। ভারতের আসাম থেকে প্রথমে এই ডিজেল আসবে পশ্চিমবঙ্গের শিলিগুড়িতে। সেখান থেকে বিপিসির দিনাজপুরের পার্বতীপুর ডিপোতে।
প্রতি ব্যারেল ডিজেলের প্রিমিয়াম ৫ দশমিক ৫০ মার্কিন ডলার। ভারতের আসাম থেকে প্রথমে এই ডিজেল আসবে পশ্চিমবঙ্গের শিলিগুড়িতে। সেখান থেকে বিপিসির দিনাজপুরের পার্বতীপুর ডিপোতে।
অন্তঃসত্ত্বা সুমি আক্তার সাড়ে তিন ঘণ্টা ছোটাছুটি করে টিসিবির ট্রাক সেল থেকে সস্তায় চিনি, ডাল ও তেল কিনলেন। লম্বা সারি, দেরি ও মারামারির মধ্যেও চলছে ঈদুল আজহার জন্য ৪৫টি ট্রাকে সাশ্রয়ী পণ্য বিক্রি। একজন এক কেজি চিনি, দুই কেজি মসুর ডাল ও দুই লিটার সয়াবিন তেল ৪৮০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে।
১৯৭৩ সালে মধ্যপ্রাচ্যের আরব-ইসরায়েল যুদ্ধকে কেন্দ্র করে যখন তেল রপ্তানিকারক দেশগুলোর সংগঠন ওপেক পশ্চিমা দেশগুলোর ওপর তেল নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে, তখন বিশ্ব প্রথম বড় জ্বালানি–সংকটের মুখোমুখি হয়।
ইরান–যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ ও হরমুজ প্রণালি সংকটের মধ্যেও তেলের দাম তুলনামূলকভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখার ক্ষেত্রে চীনের ভূমিকা নিয়ে বিশ্লেষণ। তেল আমদানি কমানো, মজুত থেকে ছাড়, রপ্তানি সীমিত করা ও অভ্যন্তরীণ চাহিদা নিয়ন্ত্রণ—এসব কৌশল বাজারে নতুন সমীকরণ তৈরি করেছে বলে বলা হয়েছে।
একটি জাহাজ বছরের পর বছর সমুদ্রে চলে। পণ্য, তেল কিংবা গ্যাস বহন করে এক বন্দর থেকে আরেক বন্দরে যায়। বয়স বাড়ার সঙ্গে মেরামত ও পরিচালনার খরচ বাড়তে থাকে। একসময় জাহাজটি আর চালানো লাভজনক থাকে না। তখন সেটি বিক্রি হয় ভাঙার জন্য।
বাংলাদেশ তেল, গ্যাস ও খনিজ সম্পদ করপোরেশনের (পেট্রোবাংলা) পরিচালক (অর্থ) এ কে এম মিজানুর রহমান জানান, আগস্ট মাসে আরও ৫ কার্গো এলএনজি আমদানি নিশ্চিত করা হয়েছে।
ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, এফএসআরইউ মেরামত শেষ না হওয়া পর্যন্ত লোডশেডিং ব্যবস্থাপনা ও অপেক্ষা ছাড়া বিকল্প নেই; পাশাপাশি ২০২৯ লক্ষ্য করে নতুন এফএসআরইউ বসানো, বিকল্প পরিবহন ব্যবস্থায় গ্যাস পৌঁছানো এবং তেল ও সৌর খাতে নীতিগত উদ্যোগের কথাও জানান তিনি।
দীর্ঘমেয়াদে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ১১৭ কার্গো এলএনজি আমদানির পাশাপাশি সার, চাল, গম ও সয়াবিন তেল কেনার প্রস্তাব অনুমোদন করেছে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি।
হরমুজ প্রণালি নিয়ে একটি চুক্তি হলে বিশ্বের অন্যতম প্রধান তেল পরিবহন পথটি আবার উন্মুক্ত হতে পারে—এমন আশার কথা জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
গ্যাসের সরবরাহ আরও কমেছে। কয়লা থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন কমেছে। খরচ কমাতে তেল থেকে উৎপাদন বাড়ানো হচ্ছে না।
বিদ্যুৎ উৎপাদনের জ্বালানিস্বল্পতা প্রকট। গ্যাসের সংকট পুরোপুরি কাটেনি। ব্যয়বহুল জ্বালানি তেল থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ানো হচ্ছে না। ফলে বেড়ে গেছে লোডশেডিং।
এই মার্কিন পদক্ষেপের ফলে ভারত, চীনসহ রাশিয়ার তেল–গ্যাসের প্রধান ক্রেতা দেশগুলোর ওপর বড় ধরনের শুল্ক আরোপের ঝুঁকি তৈরি হলো।