জামায়াত প্রার্থীর পক্ষে ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে বহিষ্কৃত ছাত্রদল নেতা
রাজশাহী-৪ (বাগমারা) আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীর পক্ষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে পদ হারিয়েছেন এক ছাত্রদল নেতা। তাঁর নাম মুস্তাফিজুর রহমান (মিলন)।
রাজশাহী-৪ (বাগমারা) আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীর পক্ষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে পদ হারিয়েছেন এক ছাত্রদল নেতা। তাঁর নাম মুস্তাফিজুর রহমান (মিলন)।
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ভোট গ্রহণ হবে আগামী বৃহস্পতিবার। এর মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি খবর ছড়িয়েছে যে নির্বাচনের জন্য সারা দেশে এক সপ্তাহের লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। তবে যাচাই করে দেখা গেছে, এ খবর ভিত্তিহীন।
বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এ এস এম শাহরিয়ার কবিরের একটি ভিডিও ফুটেজ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনা চলছে। জামায়াতের ভোটের প্রচারের সময় টাকা দিলেন শাহরিয়ার, মানবিক কারণের কথা বললেন তিনি
নির্বাচনের সরগরম প্রচারণার মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ছবিসহ একটি ফটোকার্ড তৈরি করা হয়েছে, যেখানে দাবি করা হয়েছে যে তিনি বলেছেন, ‘আওয়ামী লীগ-বিএনপি ভাই ভাই, ধানের শীষে ভোট চাই।’ আসলে এমন কোনো কথা তিনি বলেননি।
লক্ষ্মীপুর-৪ (রামগতি-কমলনগর) আসনের জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী এ আর হাফিজ উল্যাহর এমন বক্তব্যের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রাজনৈতিক প্রচারে শিশুদের ব্যবহার উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে।
ঢাকাই ছবির অভিনেত্রী বিদ্যা সিনহা মিম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ সরব। কাজের খবর থেকে শুরু করে নিয়মিতই পোস্ট করেন দিনযাপনের ছবি।
সাবিলা নূরকে জড়িয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ফটোকার্ড ছড়িয়ে পড়েছে, যেখানে নির্বাচনের আগে তাঁর মন্তব্য হিসেবে একটি রাজনৈতিক দলের নাম উল্লেখ করা হয়।
আসন্ন সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী হয়ে আলোচিত সনাতন ধর্মাবলম্বী কৃষ্ণ নন্দীকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভুয়া ফটোকার্ড ছড়িয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি প্রার্থীদের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয়।
রাজবাড়ীতে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান দিয়ে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের নির্বাচনবিরোধী একটি ঝটিকা মিছিলের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
ভোটের মাঠে প্রচারের সঙ্গে অপপ্রচারও বেড়ে চলেছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। এই অপপ্রচারের লক্ষ্যবস্তু হচ্ছেন রাজনৈতিক দলগুলোর নেতারা।