ইরানের সঙ্গে চুক্তির ব্যাপারে আশাবাদী ট্রাম্প
ইরানের বিক্ষোভকে দেশটির সরকার ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের উসকানি হিসেবে দেখছে।
ইরানের বিক্ষোভকে দেশটির সরকার ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের উসকানি হিসেবে দেখছে।
ইরানের নেতৃত্ব বহু মার্কিন প্রেসিডেন্টকে ধাঁধায় ফেলেছে। তবে ট্রাম্পের মতো এতটা বিপাকে সম্ভবত আর কাউকে পড়তে হয়নি।
ইরানের সঙ্গে আলোচনা চলছে বলে আবারও দাবি করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।
ট্রাম্প উদ্ভূত পরিস্থিতিতে নিজেই ঘোষণা করেন, তিনি তুরস্ক ছাড়ার জন্য তাঁর পুরোনো উড়োজাহাজ ব্যবহার করবেন।
জ্বালানি খাতে বিনিয়োগের বিনিময়ে কুয়েতের সঙ্গে একটি বর্ধিত প্রতিরক্ষা চুক্তি নিয়ে আলোচনা করছে পাকিস্তান, যেখানে সেনা ও যুদ্ধবিমান মোতায়েনের প্রস্তাব রয়েছে।
দক্ষিণ–পশ্চিমের আন্দিমেস্ক শহরের আকাশে এমকিউ–৯ ড্রোন শনাক্ত ও ধ্বংসের দাবি করেছে আইআরজিসি; সেন্টকমের ভাষ্য অনুযায়ী বন্দর আব্বাসসহ বিভিন্ন স্থানে অভিযান সম্পন্ন হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের।
গতকাল শুক্রবার লেবাননে যুদ্ধবিরতিতে সম্মতির কথা জানায় ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহ।
মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের পর মার্চে জ্বালানি সংকটের মুখে পড়লেও এপ্রিল-মে সরবরাহ বেড়েছে। বিপিসি জানায়, দেশে বড় সংকট নেই, আরও ১০টি জাহাজ আসছে। মজুত পরিস্থিতি স্থিতিশীল, তবে দীর্ঘমেয়াদী নিরাপত্তার জন্য সংস্কার দরকার।
ইরানের ক্ষমতা এখন ধর্মীয় নেতৃত্বের চেয়ে সেনাবাহিনীর দিকে বেশি হেলে পড়েছে।
কুর্দি বাহিনীকে ইরানে হামলা করতে সরাসরি উসকানি দিয়েছেন ট্রাম্প।
ইরানে হামলার জন্য নিজেদের সামরিক ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দেবে না স্পেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. ওবায়দুল হক মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতি, সংঘাত, নিরাপত্তা বিষয়ে গবেষণা করেছেন।