বিএনপি বাস্তবায়নযোগ্য পরিকল্পনা হাজির করেছে
গণ-অভ্যুত্থানের আগে দেশ এক দীর্ঘ স্বৈরশাসনের মধ্য দিয়ে গেছে। আওয়ামী লীগের দুর্নীতি ও দুঃশাসন সব মাত্রা ছাড়িয়ে গিয়েছিল।
গণ-অভ্যুত্থানের আগে দেশ এক দীর্ঘ স্বৈরশাসনের মধ্য দিয়ে গেছে। আওয়ামী লীগের দুর্নীতি ও দুঃশাসন সব মাত্রা ছাড়িয়ে গিয়েছিল।
নির্বাচন কমিশনে মোট নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল আছে ৬০টি। এর মধ্যে কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় আওয়ামী লীগের নিবন্ধন স্থগিত আছে।
আওয়ামী লীগের শাসনকালে ভোটাধিকারহীনতার কথা তুলে ধরে আসন্ন নির্বাচনে ভোট দেওয়ার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশকে নতুন করে গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। এই নির্বাচনের গুরুত্ব তুলে ধরার পাশাপাশি সংঘাত-সহিংসতা এড়াতে সবার সহযোগিতা চেয়েছেন তিনি।
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগের সমর্থকদের ভোট টানতে প্রকাশ্যে ও গোপনে নানামুখী কৌশল নিয়েছেন প্রার্থীরা।
মুকসুদপুর ও কাশিয়ানীর একাংশ নিয়ে গোপালগঞ্জ-১ আসন গঠিত। এই আসনে বরাবরই আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা প্রায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী হয়েছেন।
এক বছর আগেও নায়িকা শিমলা আওয়ামী লীগের নৌকার মনোনয়ন নিতে সরাসরি দলীয় কার্যালয়ে গিয়েছিলেন, এবার তাঁকেই দেখা যাচ্ছে ধানের শীষের নির্বাচনী প্রচারণায়।
জনসভায় ডামুড্যা উপজেলার সাতটি ইউনিয়ন পরিষদের আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যানরা উপস্থিত হন। তাঁরা প্রত্যেকে নুরুদ্দিন আহাম্মেদকে সমর্থন জানিয়ে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট চান।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ (সদর) আসনে বিএনপির প্রার্থী হারুনুর রশীদ বলেছেন, ‘আগে তারা আওয়ামী লীগের লুঙ্গির নিচে ছিল। এখন বোরকার মধ্যে ঢুকেছে। জামায়াতের বোরকা পরা নারী কর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে মেয়েদের আইডি কার্ডের ফটোকপি সংগ্রহ করছেন; ধর্মের দোহায় দিচ্ছেন।’
নির্বাচনের সরগরম প্রচারণার মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ছবিসহ একটি ফটোকার্ড তৈরি করা হয়েছে, যেখানে দাবি করা হয়েছে যে তিনি বলেছেন, ‘আওয়ামী লীগ-বিএনপি ভাই ভাই, ধানের শীষে ভোট চাই।’ আসলে এমন কোনো কথা তিনি বলেননি।
ময়মনসিংহ-২ (ফুলপুর-তারাকান্দা) আসনে স্বাধীনতার পর ১২টি নির্বাচনের ৮টিতেই জয় পেয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা।
ঠাকুরগাঁও-২ আসনে বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক টি এম মাহবুবুর রহমান, ‘আওয়ামী লীগের ভাইদের জন্য বলব, যাঁরা ভয়ভীতির মধ্যে বাইরে আছেন; আমাদের ভোটটা দিলে সম্পর্কের উন্নয়ন হবে, আর কোনো ঝামেলা হবে না।’
বাবার জানাজায় অংশ নিতে প্যারোলে মুক্তির জন্য জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে আবেদন করেছিল কিশোরগঞ্জ জেলা কারাগারে বন্দী আওয়ামী লীগের কর্মী মিলন মিয়ার পরিবার। তবে প্যারোল নামঞ্জুর হওয়ায় তাঁর বাবার মরদেহ আনা হয় কারাগারে।