হাসপাতালে হামের রোগী কমছে না
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর গতকাল আরও ১২ শিশুর মৃত্যুর তথ্য জানিয়েছে। এ নিয়ে মৃত্যু সাড়ে চার শ ছাড়াল।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর গতকাল আরও ১২ শিশুর মৃত্যুর তথ্য জানিয়েছে। এ নিয়ে মৃত্যু সাড়ে চার শ ছাড়াল।
সিলেটে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে বিভাগটিতে হাম ও হামের উপসর্গে মোট মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০৩ জনে। সোমবার (২০ জুলাই) সকালে বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এক বিজ্ঞপ্তিতে সর্বশেষ এ তথ্য প্রকাশ করে। তথ্য অনুযায়ী, সিলেট
ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হাম আইসোলেশন ওয়ার্ডে হামের লক্ষণ নিয়ে গতকাল সোমবার সকাল ৮টা থেকে আজ মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩৩ শিশু ভর্তি হয়েছে।
ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হাম আক্রান্ত আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। গতকাল শনিবার বিকেল ও রাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁরা মারা যান। এ নিয়ে গত ১২ দিনে পাঁচ শিশুর মৃত্যু ঘটেছে, চিকিৎসাধীন ৬৬ জন রয়েছে।
ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গত ১১ দিনে ১০৫ জন হাম আক্রান্ত শিশু ভর্তি, তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। আশপাশের জেলা থেকে রোগী আসছে, শয্যাচ্যুতি সত্ত্বেও চিকিৎসা চলছে। টিকাদানে সমস্যা এর কারণ বলে চিকিৎসকরা মনে করছেন।
ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হামের লক্ষণ নিয়ে আরও এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। মারা যাওয়া শিশুটির বয়স ছিল ১০ মাস।
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আইসিইউ সংকটে ১১ দিনে ৩৩ শিশুর মৃত্যু স্বাস্থ্যব্যবস্থার দুর্বলতা তুলে ধরেছে। দেশে আইসিইউ শয্যা অপ্রতুল, জনবলের অভাব রয়েছে। সরকারকে পূর্ণ সক্ষমতায় সেবা চালু করতে হবে।
বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে ১০ মাসের শিশু হুমায়রার মৃত্যু হয়েছে। হাসপাতালে ১০ শিশু চিকিৎসাধীন ছিল, গত ২৪ ঘণ্টায় একজন মারা গেছে। জেলায় হামের সন্দেহে নমুনা পরীক্ষা চলছে।
কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি আট মাস বয়সী আফরান নামের শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শিশুর বাবা হাসপাতালের নার্সদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন। হাসপাতালের পরিচালক ও শিশু বিভাগের চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি।
চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় স্ত্রীকে হাসপাতালে রেখে নামাজ পড়তে গিয়ে দুটি মোটরসাইকেলের ধাক্কায় নিহত হয়েছেন দোকানি মো. আলমগীর।
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বর্তমানে ৯৮ শিশু চিকিৎসাধীন, যাদের মধ্যে ৬৫ শতাংশের বয়স ৬ মাসের নিচে। চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে সবচেয়ে বেশি শিশু ভর্তি হয়েছে।
সাভারে ফুটপাত দখল ও তীব্র যানজটের কারণে হাসপাতালে পৌঁছাতে দেরি হওয়ায় সড়কে জন্ম নেওয়া প্রিম্যাচিউর নবজাতকের মৃত্যু হয়েছে।