হাওরে দিনের শেষে প্রাণ–প্রকৃতির আয়োজন
মৌলভীবাজার সদর ও রাজনগর উপজেলাজুড়ে বিস্তৃত কাউয়াদীঘি হাওরের বিকেলটা প্রকৃতির বিচিত্র আয়োজন ও বৈচিত্র্যে আলাদা এক জগৎ।
মৌলভীবাজার সদর ও রাজনগর উপজেলাজুড়ে বিস্তৃত কাউয়াদীঘি হাওরের বিকেলটা প্রকৃতির বিচিত্র আয়োজন ও বৈচিত্র্যে আলাদা এক জগৎ।
মৌলভীবাজার সদর উপজেলার ছিকিরাইল এলাকাতে হাইল হাওরের বুকে তখন কুয়াশাজড়ানো ধূসর রঙিন সকাল। একটু একটু করে চারপাশ জেগে উঠছে। জেগে উঠছেন হাওরপারের কৃষিজীবী মানুষ, মৎস্যজীবীরা।
অপরিচ্ছন্ন ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে চিকিৎসা নিচ্ছে শিশুরা, আর ওয়ার্ডজুড়ে অবাধে ঘুরে বেড়াচ্ছেন হকারেরা।
টাঙ্গুয়ার হাওরের সুরক্ষায় ১৩ দফা জরুরি নির্দেশনা জারি করেছে সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসন। এতে হাওরের সংরক্ষিত এলাকায় পর্যটকবাহী হাউসবোট ও নৌযান চলাচল নিয়ন্ত্রণ, এসব নৌযানের বাধ্যতামূলক নিবন্ধনসহ বিভিন্ন বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে।
হবিগঞ্জে খোয়াই নদের বাঁধ ভেঙে তিন দিন আগে ঢোকা বন্যার পানিতে এখনো হাজারো মানুষ পানিবন্দী হয়ে আছেন। উঁচু এলাকার পানি কিছুটা কমতে শুরু করলেও নিম্নাঞ্চলের অনেক গ্রামের ঘরবাড়িতে এখনো দুই থেকে আড়াই ফুট পানি আছে।
মৌলভীবাজারের শতবর্ষী অলহা হাট এখন আগের জৌলুশ হারালেও শতবর্ষী বটগাছের ছায়ায় এখনো টিকে আছে মানুষের ভালোবাসা ও ঐতিহ্য।
সুনামগঞ্জ মেডিকেল কলেজে অবিলম্বে হাসপাতালের কার্যক্রম চালু, প্রয়োজনীয় ক্লিনিক্যাল ক্লাস (হাতে-কলমে শিক্ষা) নিশ্চিত করা, প্রয়োজনীয় শিক্ষক নিয়োগসহ বিভিন্ন দাবিতে আজ সোমবারও বিক্ষোভ ও সমাবেশ করেছেন শিক্ষার্থীরা।
আনন্দ-বিনোদনের জন্য মৌলভীবাজার পৌরসভার উদ্যোগে এই প্রবীণাঙ্গনকে গড়ে তোলা হয়েছে। নানা জাতের ফুলগাছে সাজিয়ে তোলা হয়েছে। একসময়ের উঁচু-নিচু এলোমেলো এই টিলাভূমিকে দৃষ্টিনন্দন করা হয়েছে।
হাওরে ডুবে যাওয়া বোরো ধান পানির নিচ থেকে ‘আকি’ দিয়ে তুলছেন কৃষকেরা, তবে অধিকাংশেরই ক্ষতি পোষানোর কোনো সম্ভাবনা নেই।
মৌলভীবাজার শহরের শান্তিবাগ-সংলগ্ন মনু নদের পাড়ে ছোট ও মাঝারি আকারের অনেকগুলো কদমগাছ আছে। কয়েক বছরে গাছগুলো একটু একটু করে বেড়ে উঠেছে।
টানা বৃষ্টিতে সুনামগঞ্জের নদ-নদী ও হাওরে পানি আবার বাড়ছে। গত তিন দিনে ২৪২ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে, যা কৃষকদের অবশিষ্ট বোরো ধান তুলতে নতুন বিপাকে ফেলেছে। আগামী দিনগুলোতে আরও ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে।
সুনামগঞ্জের হাওরে অতিবৃষ্টি ও উজানের ঢলে বোরো ধান, ক্ষীরা ও মরিচির ফসল নষ্ট হয়েছে। কৃষক আবদুল জাহানের ১৬ বিঘা ধানসহ অন্যান্য ফসলের ক্ষতিতে ঋণের বোঝা বেড়েছে। জেলায় মোট ধানের ক্ষতি প্রায় ৫০০ কোটি টাকা।