বিএনপি জোটের এমপিরা সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ না নেওয়ায় ডাকসুর উদ্বেগ
সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ গ্রহণ থেকে বিরত থেকে বিএনপি জনগণের প্রত্যক্ষ রায়কে অগ্রাহ্য করেছে।
সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ গ্রহণ থেকে বিরত থেকে বিএনপি জনগণের প্রত্যক্ষ রায়কে অগ্রাহ্য করেছে।
বিএনপি থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শেষ পর্যন্ত সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে আজ মঙ্গলবার শপথ নেবেন কি না, তা নিয়ে সংশয় কাটেনি।
রাষ্ট্রপতির কোনো আদেশ যদি তৃতীয় তফসিলে বর্ণিত শপথের বাইরে নতুন কোনো শপথ গ্রহণে বাধ্য করার চেষ্টা করে, তা সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হয়ে দাঁড়াবে।
সংস্কার পরিষদের শপথ নিয়ে কিছুটা সংশয় আছে। বিএনপি মনে করছে, বিদ্যমান সংবিধানে যা আছে, সেটা অনুসরণ করাই যৌক্তিক।
২৫ জানুয়ারি ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান (সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ) অধ্যাদেশ–২০২৬’ শিরোনামে ২০২৪–এর গণ-অভ্যুত্থানকারীদের দায়মুক্তি দিয়ে অধ্যাদেশ জারি করেছে অন্তর্বর্তী সরকার।
সংবিধান শুধু ক্ষমতার ভারসাম্য নির্ধারণের নথি নয়; এটি প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে রাষ্ট্রের দায়িত্ববোধ ও অঙ্গীকারকে বহন করে।
আমরা, সংবিধান সংস্কার কমিশনের দুই সদস্য শরীফ ভূঁইয়া ও ফিরোজ আহমেদ, দুটি বিষয়ে কমিশন বরাবর দুটো লিখিত মতামত দিয়েছিলাম। প্রথমটি দেওয়া হয়েছিল ২৩ নভেম্বর ২০২৪। এটি ছিল রাষ্ট্রপতির পদকে শক্তিশালী করা প্রসঙ্গে। অন্যটি দেওয়া হয়েছিল ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪। এটি সংবিধানে ‘বিসমিল্লাহ’ ও রাষ্ট্রধর্ম অন্তর্ভুক্তি নিয়ে। এই দুটি লিখিত মতামতে আমরা আমাদের যৌথ ভাবনা প্রকাশ করেছিলাম, যা কমিশনের বাকি সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশের মতামত থেকে ভিন্ন ছিল।
আগামী ডিসেম্বরে শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে বিমানবন্দর থেকে সরাসরি ফাঁসির মঞ্চে নেওয়া হবে—এমন হুমকি দিয়েছেন এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। পাশাপাশি ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার পরিবর্তনের দাবি তুলে তিনি রাষ্ট্রসংস্কার ও বিচার বাস্তবায়নে সরকারের ব্যর্থতার অভিযোগও করেছেন।
রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ ক্ষমতা কোনো প্রতিষ্ঠানের হাতে নয়; সর্বোচ্চ কর্তৃত্ব সংবিধানের, আর সংবিধানের বৈধতার উৎস জনগণ।
সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর পুরোটা বাতিল হলে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলসহ তিনটি ক্ষেত্রে আইনি শূন্যতা তৈরির আশঙ্কা প্রকাশ করে এগুলোর সুরক্ষা চেয়েছেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী শরীফ ভূঁইয়া।
পঞ্চদশ সংশোধনী নিয়ে আপিল বিভাগ কাল আবার শুনানি করবে; সংশোধনীটি নিয়ে আইনজীবীরা ত্রুটির কথা বলেছেন।
ন্যায়পালের পদ প্রতিষ্ঠা ও কার্যকর করতে আইনগত নিষ্ক্রিয়তা কেন বেআইনি নয়, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।