রাজশাহী আলোর পাঠশালায় সচেতনতা বৃদ্ধি কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে
মুক্তকণ্ঠ ট্রাস্ট পরিচালিত রাজশাহী আলোর পাঠশালায় গত ২৩ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে বিদ্যালয় পর্যায়ে একটি সচেতনতা বৃদ্ধি কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মুক্তকণ্ঠ ট্রাস্ট পরিচালিত রাজশাহী আলোর পাঠশালায় গত ২৩ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে বিদ্যালয় পর্যায়ে একটি সচেতনতা বৃদ্ধি কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বছরখানেক আগে ফেসবুকের একটি পোস্টের সূত্র ধরে ইনবক্সে একটি ছবি পেলাম—শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সামনে স্টিকার লাগানো ‘কওমি সনদের সত্যায়ন করা হয় না’।
২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় প্রায় সাড়ে চার লাখ শিক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে না। অথচ দুই বছর আগে তারা নিয়মিত শিক্ষার্থী হিসেবে রেজিস্ট্রেশন করেছিল।
বরিশালের কীর্তনখোলা নদীর তীরে ‘আমাদের পাঠশালা’ উদ্যোগে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য চলছে ভ্রাম্যমাণ শিক্ষা কার্যক্রম। স্বেচ্ছাসেবীদের প্রচেষ্টায় বইয়ের পাশাপাশি শেখানো হচ্ছে মূল্যবোধ, জাগছে নতুন স্বপ্ন।
গত ১৬ এপ্রিল ২০২৬ বৃহস্পতিবার রাজশাহী আলোর পাঠশালায় ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা ও ছাত্রছাত্রীদের উপস্থিতিতে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
মদনপুর আলোর পাঠশালায় ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য গত ১৪ এপ্রিল ২০২৬ দোয়া ও বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বিদায়ী শিক্ষার্থীদের আশীর্বাদ জানাতে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
ভোলা জেলার দৌলতখানের মদনপুর ইউনিয়নের প্রত্যন্ত গ্রামের দরিদ্র পরিবারের ছেলে ইমরান হোসেন মুক্তকণ্ঠ ট্রাস্টের সাহায্যে পড়াশোনায় ফিরে এসেছেন। পরিবারের চাপে ২০২২ সালে পড়াশোনা ছেড়ে ঢাকায় যান, কিন্তু ২০২৪ সালে নানা-মামার সহায়তায় মদনপুর আলোর পাঠশালায় দশম শ্রেণিতে নিয়মিত ছাত্র হয়েছেন।
বাংলাদেশে অটিজমপ্রবণ শিক্ষার্থীদের সাধারণ বিদ্যালয়ে অন্তর্ভুক্ত করা জাতীয় লক্ষ্য। সচেতনতা, প্রশিক্ষণ ও সঠিক সহায়তার মাধ্যমে তারা পূর্ণ সম্ভাবনা অর্জন করতে পারে। এটি সমতা ও মানবিক মর্যাদার প্রতিফলন।
পরীক্ষায় নকল ও প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধে সিসি ক্যামেরা স্থাপন ও পাবলিক পরীক্ষা আইন সংশোধনের ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। বরিশালে মতবিনিময় সভায় তিনি শিক্ষকদের মনিটরিং ও গুণগত শিক্ষার উপর জোর দেন। শিক্ষার্থীদের ভয় পাওয়ার কোনো কারণ নেই বলেও তিনি আশ্বাস দেন।
জ্বালানি সংকটে সরকারের অনলাইন ক্লাসের পরিকল্পনা শিক্ষার্থীদের শিখনঘাটতি বাড়িয়ে দেবে বলে সমালোচনা। অফলাইন ক্লাস বন্ধ না করে আমলাতন্ত্রীয় অপচয় কমানোর বিকল্প আছে। করোনার পুনরাবৃত্তি এড়াতে শিক্ষা স্থিতিশীল রাখা জরুরি।
জাতীয় শিক্ষাক্রমে বাধ্যতামূলক বিষয় হিসেবে ইংরেজি বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করার উদ্দেশ্য একটাই—আমাদের শিক্ষার্থীরা যেন ভাষাটি শিখতে পারে এবং তা ব্যবহার করে যোগাযোগ করতে পারে।
উম্মে সালামার বিশেষত্ব এখানেই। তিনি তাঁর প্রতিজন দাসী-বাঁদিকে কোরআন-সুন্নাহর দীক্ষায়ও দীক্ষিত করে তোলেন পূর্ণরূপে। সাধারণ শিক্ষার্থীদের মতোই তাদের শিক্ষা আঞ্জাম দিতে থাকেন।