
পৃথিবী কি সত্যিই গ্রহাণুর আঘাতে বসবাসের উপযোগী হয়ে উঠেছে
প্রায় ৪২ হাজার বছর আগে একটি বিশাল গ্রহাণুর আঘাতে গর্তটি তৈরি হয়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।

প্রায় ৪২ হাজার বছর আগে একটি বিশাল গ্রহাণুর আঘাতে গর্তটি তৈরি হয়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সমাজবিজ্ঞানীদের গবেষণায় দেখা যায়, নৈতিক শিক্ষাই একজন নাগরিককে তার সমাজে বসবাসের জন্য যোগ্য করে তোলে।

পৃথিবীর দিকে প্রলয়ংকর সুপার এল নিনো ধেয়ে আসছে বলে সতর্ক করেছেন জলবায়ুবিজ্ঞানীরা।

প্রকৃতির এক নীরব ও অদৃশ্য ঘাতকের নাম আর্সেনিক। মাটির গভীর থেকে উঠে আসা নলকূপের পানির মাধ্যমে এই বিষাক্ত উপাদানটি মানবদেহে প্রবেশ করে।

সম্প্রতি বিজ্ঞানীরা পিরামিডের ভেতরে এক অনন্য প্রকৌশল ও কিছু গোপন কাঠামোর সন্ধান পেয়েছেন, যা পিরামিডকে ভূমিকম্পের হাত থেকে রক্ষা করে আসছে।

ইঁদুরের ক্লোন তৈরির জন্য বিজ্ঞানীরা সোমাটিক সেল নিউক্লিয়ার ট্রান্সফার নামের একটি বিশেষ পদ্ধতি ব্যবহার করেছেন।

সমুদ্রের তলদেশে ভূমিকম্পের গতি কমিয়ে দিতে সক্ষম রহস্যময় অঞ্চলের সন্ধান পেয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের ইন্ডিয়ানা ইউনিভার্সিটির বিজ্ঞানীরা।

স্যার আইজ্যাক নিউটনের মহাকর্ষ সূত্রের কঠিন এক পরীক্ষা করেছেন পেনসিলভানিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল বিজ্ঞানী।

বিজ্ঞানীদের মতে, সমুদ্রের সঙ্গে এই হিমবাহের গোপন সংযোগপথ রয়েছে। এই পথগুলোই সমুদ্রের উষ্ণ পানিকে সরাসরি হিমবাহের তলদেশে বয়ে নিয়ে যাচ্ছে।

মহাকাশের গভীর থেকে আসা রহস্যময় নীল আলোর উৎস জানতে দীর্ঘদিন ধরে চেষ্টা করছেন বিজ্ঞানীরা।

পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোম রোগটি চেনা। সম্প্রতি বিজ্ঞানীরা একমত হয়ে পাল্টে ফেলেছেন এ রোগের নাম। নতুন নাম হলো পলিএন্ডোক্রাইন মেটাবলিক ওভারিয়ান সিনড্রোম।

বিজ্ঞানীদের মতে, ম্যান্টলের নিচে লুকিয়ে থাকা বিশাল এই কাঠামোগুলো দীর্ঘ সময় ধরে পৃথিবীর ম্যাগনেটোস্ফিয়ারের গতিপ্রকৃতি নির্ধারণ করে আসছে।