ছায়া মন্ত্রিসভা কী? বাংলাদেশে তা কি কায়া পাবে?
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন মন্ত্রিসভায় কার কার স্থান হতে পারে, তা নিয়ে চলছে তুমুল আলোচনা।
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন মন্ত্রিসভায় কার কার স্থান হতে পারে, তা নিয়ে চলছে তুমুল আলোচনা।
আজ মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টা নাগাদ এহছানুল হক মিলন মন্ত্রিসভায় ডাক পেয়েছেন বলে তাঁর ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র মুক্তকণ্ঠকে নিশ্চিত করেছে।
সংসদ ও রাজপথে সক্রিয় থেকে গণভোটের রায় বাস্তবায়নসহ বিভিন্ন ইস্যুতে বিএনপি সরকারকে চাপে রাখতে চায় জামায়াত; আসছে ছায়া মন্ত্রিসভা ঘোষণাও।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভূমিধস বিজয়ের পর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করে। মন্ত্রিসভা গঠনের সময় পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে রাঙামাটি থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য দীপেন দেওয়ানকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। তাঁর সঙ্গে প্রতিমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ পান চট্টগ্রাম-৫ (হাটহাজারী) আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন।
আজ মঙ্গলবার ঢাকায় সচিবালয়ে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ বিষয়ক প্রস্তাব নীতিগতভাবে অনুমোদিত হয়।
নতুন ইলেকট্রিক বাস আমদানিতে শুল্ক-কর অব্যাহতি দেওয়ার প্রস্তাব অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা।
নিরঙ্কুশ জয়ের পর সরকার গঠনের প্রস্তুতিতে বিএনপি। জ্যেষ্ঠ নেতাদের পাশাপাশি নতুন মুখ ও শরিকদের নিয়েও জোর আলোচনা।
বৈশ্বিক জ্বালানিসংকট মোকাবেলায় সরকার অফিসের সময়সূচি সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টায় সীমিত করেছে। দোকানপাট ও শপিং মল সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে বন্ধ থাকবে। এসব সিদ্ধান্ত বৃহস্পতিবার রাতের মন্ত্রিসভা বৈঠকে নেওয়া হয়েছে।
জ্বালানি ও সরকারি ব্যয় সংকোচনে মন্ত্রীদের গাড়ির মাসিক জ্বালানি ৩০% কমানো হয়েছে। কর্মকর্তাদের গাড়ি কেনার সুদমুক্ত ঋণ বন্ধ, অফিস সময়সীমা নির্ধারণ এবং বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। মন্ত্রিসভা বৈঠকে এসব সিদ্ধান্ত হয়েছে।