সুদ পরিশোধে টাকা লাগবে বেশি, কিন্তু বাজেটে বরাদ্দ রাখা হচ্ছে কম
আগামী অর্থবছরে সুদ ব্যয়ের বাবদ বরাদ্দ রাখা হচ্ছে ১ লাখ ২৭ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। অর্থ বিভাগ হিসাব করেছিল, সুদ ব্যয়ে ১ লাখ ৫৮ হাজার কোটি টাকা লাগতে পারে।
আগামী অর্থবছরে সুদ ব্যয়ের বাবদ বরাদ্দ রাখা হচ্ছে ১ লাখ ২৭ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। অর্থ বিভাগ হিসাব করেছিল, সুদ ব্যয়ে ১ লাখ ৫৮ হাজার কোটি টাকা লাগতে পারে।
বাজেট প্রস্তাবে সিগারেটের ফিল্টারে ১০০ শতাংশ সম্পূরক শুল্কের প্রস্তাব করা হয়েছিল। এখন সেটি কমিয়ে ৩০ শতাংশ করা হয়েছে। কমেছে নিকোটিন পাউচের শুল্কহারও।
বিএনপির সংসদ সদস্য এ ই সুলতান মাহমুদ সংসদে প্রস্তাবিত বাজেট নিয়ে কোনো আলোচনা না করে দলের বিষয়ে কথা বলেন। স্পিকার সময় বাড়ানোর পরও বাজেট নিয়ে কিছু বলেননি।
প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটকে ‘উচ্চাভিলাষী, বাস্তবতা-বিবর্জিত ও ঋণগ্রস্ত বাজেট’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।
বাজেটকে ‘হাওয়াই মিঠাইয়ের’ সঙ্গে তুলনা করে অর্থমন্ত্রী ও মন্ত্রিপরিষদের বাজেট প্রণয়নের যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার।
জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য ইজ্জত উল্লাহ বলেন, বিরোধী দলের দায়িত্ব শুধু সরকারের প্রশংসা করা নয়, বরং গঠনমূলক মতামতের মাধ্যমে আরও কার্যকর বাজেট প্রণয়নে ভূমিকা রাখা।
মূল প্রবন্ধে ইসলামি অর্থনীতিবিদ ও গবেষক আবদুল্লাহ মাসুম বলেন, ওলামায়ে কেরামদের মধ্যে যারা ইসলামি দল করেন, তাঁরা একসময় বাজেট নিয়ে কথাই বলতেন না।
বাংলাদেশ একটি স্থিতিশীল ও বিনিয়োগবান্ধব করব্যবস্থার দিকে এগিয়ে যাবে—অর্থনৈতিক অংশীজনদের দীর্ঘদিনের দাবি এটিই। একটি দীর্ঘমেয়াদি ও অনুমানযোগ্য করব্যবস্থা না থাকায় অতীতে প্রায় প্রতিটি বাজেট সামনে রেখে করদাতাদের চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়তে হয়।
পানিসম্পদমন্ত্রী বলেন, পদ্মা ব্যারাজ বাস্তবায়নের প্রকল্প একনেকে অনুমোদন পেয়েছে। খুব শিগগির টেন্ডার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কাজ শুরু হবে। আর এই অর্থবছরেই তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা বাজেটের মডেলে পরিবর্তন করার চেষ্টা করেছি। আমরা অর্থনীতির গণতন্ত্রায়ণের কথা বলেছি; যাতে সব মানুষ অর্থনীতিতে অংশ নিতে পারে।’
বিএনপি জুলাই চেতনাকে ধারণ করে বলে উল্লেখ করেন আক্তারুজ্জামান। তিনি বলেন, ‘জুলাই তো বিক্রি করার বিষয় না।’
বাংলাদেশ ব্যাংকের ঘোষিত প্রণোদনা প্যাকেজের একটি অংশ যদি নারী নেতৃত্বাধীন ক্ষুদ্র ও কুটিরশিল্প, গ্রামীণ নারী উদ্যোক্তা এবং নতুন ব্যবসা উদ্যোগের জন্য সহজ শর্তে বরাদ্দ করা হয়, তাহলে নারীদের অর্থনৈতিক অংশগ্রহণ আরও শক্তিশালী হবে।