বৈষম্যহীন সমাজ গঠনে মহানবী (সা.)-এর ঘোষিত ১০ নীতি
দেড় হাজার বছর আগে বিদায় হজে মানবাধিকারের যে সনদ মহানবী (সা.) ঘোষণা করেছিলেন, তা আধুনিক সময়ের যে-কোনো মতাবাদের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী ও কার্যকর।
দেড় হাজার বছর আগে বিদায় হজে মানবাধিকারের যে সনদ মহানবী (সা.) ঘোষণা করেছিলেন, তা আধুনিক সময়ের যে-কোনো মতাবাদের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী ও কার্যকর।
হজের খুতবায় মুসলিম উম্মাহর ঐক্য ও বিশ্বশান্তির জন্য দোয়া করা হয়েছে।
একটি শক্ত জড়বস্তুর প্রয়োজনানুসারে উঁচু-নিচু হওয়া ও কাদামাটির মতো নরম হয়ে নিজের মধ্যে পদচিহ্ন গ্রহণ করা আল্লাহ-তাআলার কুদরতের অনন্য নিদর্শন।
মিনা থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত আরাফাত ময়দান। এ ময়দানে হাজিদের জন্য হাজার হাজার অস্থায়ী তাঁবু টানানো আছে।
কাবা তাওয়াফ করা হজের অংশ।
লাখো মানুষ একই রঙে, একই ঢঙে একই খোদার সমীপে হাজির হন। এই মহামিলনের পেছনে যে অন্তর্নিহিত চেতনা কাজ করে, তা হলো প্রকৃত আধ্যাত্মিকতা এবং নিখাদ বিশ্বভ্রাতৃত্ব।
কাবার সামনে দাঁড়িয়ে মানুষ উপলব্ধি করে, এই দুনিয়ার সমস্ত গৌরব, অহংকার ও কৃত্রিমতা কত ক্ষণস্থায়ী! সেখানে মানুষ শুধু আল্লাহর বান্দা হিসেবেই পরিচিত।
হাজার বছর ধরে সেখানে উপস্থিত হয়েছেন উম্মাহর কত মুফাসসির, কত মুহাদ্দিস, কত ইমাম, কত মুজতাহিদ, কত অলি-আউলিয়া! কত কান্না ছড়িয়ে আছে আরাফার বাতাসে!
আমরা যারা হজে যাওয়ার সামর্থ্য রাখি না, তারা চাইলে এই আমলগুলোর মাধ্যমে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি ও হজের সওয়াব অর্জন করতে পারি।
কোরআন ও হাদিস থেকে মক্কা ও মদিনার এমন কিছু নির্দিষ্ট স্থান ও মুহূর্তের কথা জানা যায়, যেখানে দোয়া কবুল হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা থাকে।
মক্কা ও মদিনার ১৬টি গুরুত্বপূর্ণ দর্শনীয় স্থানের তালিকা। হজযাত্রীরা এসব ঐতিহাসিক স্থানে জিয়ারত করেন। ইসলামের ইতিহাসে এসব স্থানের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে।
হজে ইনসুলিন ব্যবহারকারী ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য সংরক্ষণ, মাত্রা নির্ধারণ ও জরুরি সতর্কতার নির্দেশনা। উষ্ণ আবহাওয়া ও বেশি হাঁটায় হাইপোগ্লাইসেমিয়া বা গ্লুকোজ বৃদ্ধির ঝুঁকি থাকে। বিশেষজ্ঞ ডা. নাসির উদ্দিন আহমদের পরামর্শ।