ফার্নেস তেলের দাম লিটারে কমল ১৬ টাকা
বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন ফার্নেস তেলের দাম লিটারে কমিয়ে ৭০ টাকা ১০ পয়সা নির্ধারণ করেছে।
বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন ফার্নেস তেলের দাম লিটারে কমিয়ে ৭০ টাকা ১০ পয়সা নির্ধারণ করেছে।
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল(আইএমএফ) বলছে, তেলের দাম প্রতি ১০ শতাংশ বৃদ্ধির বিপরীতে সামগ্রিক মূল্যস্ফীতি বাড়বে শূন্য দশমিক ৪ শতাংশ।
মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা এবং হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের সীমাবদ্ধতার কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম বৃদ্ধি পেয়ে ব্যারেলপ্রতি ৯০ ডলারের কাছাকাছি পৌঁছেছে।
শুধু ইরানের তেল সরবরাহই যদি ব্যাহত হয়, তাহলে অপরিশোধিত তেলের দাম ৯ থেকে ১৫ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে।
ইরান যুদ্ধে শান্তি আলোচনার অনিশ্চয়তায় বিশ্ববাজারে তেলের দাম বেড়েছে। ব্রেন্ট ক্রুড প্রতি ব্যারেল ১০৪.৫০ ডলারে পৌঁছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনা স্থবির হওয়ায় হরমুজ প্রণালির উদ্বেগ বেড়েছে।
বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহৃত ফার্নেস তেলের দাম লিটারে ৪ দশমিক ৪৪ টাকা কমিয়ে ১০৯ দশমিক ১০ টাকা করা হয়েছে। পরিবর্তনটি ৩০ জুন বিইআরসির সভায় নির্ধারিত হয়।
ইরান-ইসরায়েল সংঘাতে বাড়ছে তেলের দাম
বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহৃত ফার্নেস তেলের দাম প্রতি লিটারে ৮ টাকা ৭১ পয়সা কমিয়ে ১০০ টাকা ৩৯ পয়সা নির্ধারণ করেছে বিইআরসি। আজ বৃহস্পতিবার রাত থেকে নতুন দাম কার্যকর হবে।
যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের দ্বিতীয় দফা আলোচনার সম্ভাবনায় বিশ্ববাজারে তেলের দাম কিছুটা কমেছে। ব্রেন্ট ক্রুড ৯৮.৪০ ডলারে এবং ডব্লিউটিআই ৯৭.৪০ ডলারে নেমেছে। এশিয়ার শেয়ারবাজারেও ঊর্ধ্বগতি লক্ষ্য করা গেছে।
মধ্যপ্রাচ্যে হামলা-পাল্টা হামলা সাময়িকভাবে বন্ধ হওয়া এবং মার্কিন-ইরান কূটনৈতিক আলোচনার ইতিবাচক অগ্রগতির খবরে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম এক সপ্তাহের মধ্যে সর্বনিম্ন স্তরে নেমেছে।
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় আবারও চাপে বৈশ্বিক তেলবাজার। হরমুজ প্রণালিতে জ্বালানি পরিবহন ব্যাহত হওয়ায় সরবরাহঝুঁকি বেড়ে তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী।
ইরানে টানা ১১তম রাতের মতো যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যে জ্বালানি সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা আরও বেড়েছে। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে। একই সময়ে ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীদের সতর্কবার্তার পর লোহিত সাগরে চলাচলকারী কয়েকটি তেলবাহী ট্যাঙ্কারও পথ পরিবর্তন করেছে। বুধবার (২