
আল্লাহর ওপর ভরসা করার ৬ উপকার
এই গুণের অধিকারী ব্যক্তি শুধু মানসিক প্রশান্তিই পান না, বরং দুনিয়া ও আখেরাতে বিশেষ মর্যাদাও লাভ করেন। তাওয়াক্কুলের ছয়টি উল্লেখযোগ্য লাভ আলোচনা করা হলো।

এই গুণের অধিকারী ব্যক্তি শুধু মানসিক প্রশান্তিই পান না, বরং দুনিয়া ও আখেরাতে বিশেষ মর্যাদাও লাভ করেন। তাওয়াক্কুলের ছয়টি উল্লেখযোগ্য লাভ আলোচনা করা হলো।

মানুষের চিরশত্রু ইবলিশ শয়তান। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ–তাআলা কেয়ামতের দিবসে পথভ্রষ্ট অনুসারী এবং শয়তানের মধ্যকার এক ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরেছেন।

সত্য সবসময়ই যৌক্তিক এবং অসত্য সবসময়ই স্ববিরোধী। তিনি চাইছিলেন তাঁর পিতা যেন অন্ধ অনুকরণ ত্যাগ করে স্বাধীনভাবে নিজের বিবেককে ব্যবহার করেন।

অসুস্থতার কারণে আত্মীয়-স্বজন ও পাড়া-প্রতিবেশী সবাই তাঁকে ত্যাগ করে চলে যায়। এমনকি তাঁকে জনবসতি থেকে দূরে এক নির্জন স্থানে ফেলে আসা হয়।

অনেকেই মনে করেন, মুত্তাকি মানেই এমন ব্যক্তি যার কখনো কোনো গুনাহ হয় না; অথচ কোরআনের শিক্ষা হলো, মুত্তাকি মানেই নিষ্পাপ মানুষ নয়।

সুরা কাহাফের তিনটি ভিন্ন প্রেক্ষাপট—আসহাবে কাহাফের তরুণ দল, নবী মুসার জ্ঞানের সফর এবং জুলকারনাইনের বিশ্বাভিযান—আমাদের সামনে নেতৃত্বের তিনটি অনন্য মডেল পেশ করে।

জিলহজের প্রথম দশকের বিশেষ ফজিলত রয়েছে। মহান আল্লাহ পবিত্র কোরআনে জিলহজের প্রথম ১০ রাতের কসম করে এই দশকের গুরুত্ব মহিমান্বিত করেছেন,

কোরআন ও হাদিস থেকে মক্কা ও মদিনার এমন কিছু নির্দিষ্ট স্থান ও মুহূর্তের কথা জানা যায়, যেখানে দোয়া কবুল হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা থাকে।

চরিত্রের দুর্বলতাই সম্পর্কের টানাপোড়েন ও নৈতিক অবক্ষয়ের মূল কারণ। আল্লাহভীতি, সত্যবাদিতা, বিনয়, সুন্দর ব্যবহার, ক্ষমাশীলতা, ধৈর্য ও আমানত রক্ষার মাধ্যমে উত্তম চরিত্র গঠন সম্ভব।

কোরআন ও হাদিসের আলোকে আল্লাহর ভালোবাসা লাভের তিনটি প্রধান নিদর্শন তুলে ধরা হয়েছে। এগুলোর মধ্যে রয়েছে সমাজে গ্রহণযোগ্যতা, দুনিয়ার মোহ থেকে মুক্তি এবং পরীক্ষার সম্মুখীন হওয়া। যাঁরা এই আলামতগুলো পান, তাঁরাই পরম করুণাময়ের প্রিয়ভাজন।

ইসলাম প্রচারে কোমলতা মূল নীতি হলেও সত্যের দৃঢ়তা বজায় রাখতে হয়। মুসা (আ.)-এর ফেরাউনের সঙ্গে সংলাপ থেকে কখন কোমল, কখন কঠোর হওয়ার শিক্ষা পাওয়া যায়। কোরআনের আয়াতগুলো এই ভারসাম্য বোঝায়।

জীবন সবসময় একইভাবে চলে না। কখনো কখনো এমন কঠিন মুহূর্ত আসে যখন মনে হয় চারপাশ থেকে অন্ধকার আমাদের ঘিরে ধরছে।