
ইন্টারনেটে যুক্ত না থাকলেও কাজ করে দেবে মাইক্রোসফটের এআই এজেন্ট
কর্মক্ষেত্রের বিভিন্ন দাপ্তরিক কাজ স্বয়ংক্রিয়ভাবে সম্পন্ন করতে সক্ষম নতুন এআই এজেন্ট তৈরি করেছে মাইক্রোসফট।

কর্মক্ষেত্রের বিভিন্ন দাপ্তরিক কাজ স্বয়ংক্রিয়ভাবে সম্পন্ন করতে সক্ষম নতুন এআই এজেন্ট তৈরি করেছে মাইক্রোসফট।

সম্প্রতি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর (এআই) গ্রাহকসেবা সহায়তাব্যবস্থার একটি ত্রুটি কাজে লাগিয়ে একাধিক ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট হ্যাক করেছে সাইবার অপরাধীরা।

হোয়াটসঅ্যাপ ও মেসেঞ্জারের পাশাপাশি ইনস্টাগ্রামেও বিজনেস এজেন্ট যুক্ত করা হবে। ফলে একই এআই সহকারীর মাধ্যমে তিনটি প্ল্যাটফর্মে গ্রাহকদের সঙ্গে যোগাযোগ করা যাবে।

গুগল জানিয়েছে, ওয়েবসাইটের প্রকাশক ও কনটেন্ট নির্মাতাদের মতামত বিবেচনায় নিয়ে নতুন নিয়ন্ত্রণব্যবস্থাটি চালু করা হচ্ছে।

একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) স্টার্টআপের মূল্যায়ন প্রায় এক ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। হ্যাঁ, এক ট্রিলিয়ন ডলার এবং এটি এখনো একটি স্টার্টআপ।

এআই প্রযুক্তির দ্রুত অগ্রগতির কারণে ‘ভয়েস ক্লোনিং’ বা কণ্ঠস্বর নকল করে প্রতারণার ঘটনা উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে।

ডিসমিসল্যাবের পরীক্ষায় দেখা গেছে, কিছু এআই প্ল্যাটফর্ম ভুয়া এনআইডি তৈরি করে দিচ্ছে। এতে নিরাপত্তাঝুঁকি তৈরি হচ্ছে।

এআই আজ আমাদের শেখার পদ্ধতি, শিক্ষকদের পড়ানোর ধরন ও জ্ঞানার্জনের পুরো অভিজ্ঞতাই বদলে দিচ্ছে।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (এআই) প্রযুক্তি এখন শুধু লেখা তৈরি বা ছবি আঁকায় সীমাবদ্ধ নেই, জটিল গাণিতিক সমস্যার সমাধানেও সক্ষমতা দেখাতে শুরু করেছে।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে তৈরি বা সম্পাদিত ভিডিও স্বয়ংক্রিয়ভাবে শনাক্ত করার নতুন ব্যবস্থা চালু করছে ইউটিউব।

মানুষ এখনো পৃথিবীর শাসক—কাগজে-কলমে। কিন্তু বাস্তবে? পৃথিবীর প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের পেছনে কাজ করছে এক বিশাল অদৃশ্য শক্তি—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তি এখন শুধু তথ্য খোঁজা, ছবি তৈরি বা কাজের সহকারী হিসেবেই সীমাবদ্ধ নেই। ধীরে ধীরে মানুষের ব্যক্তিগত আবেগ, সম্পর্ক ও মানসিক নির্ভরতাতেও প্রবেশ করছে প্রযুক্তিটি।