মানুষ কি স্বাধীন নাকি তকদিরের অধীন
জীবনের প্রতিটি ঘটনা কি আগে থেকেই নির্ধারিত, নাকি কাজের ক্ষেত্রে আমাদের স্বাধীনতা আছে? যদি নির্ধারিত থাকে, তবে ভালো বা মন্দের জন্য মানুষকে কেন দায়ী হবে?
জীবনের প্রতিটি ঘটনা কি আগে থেকেই নির্ধারিত, নাকি কাজের ক্ষেত্রে আমাদের স্বাধীনতা আছে? যদি নির্ধারিত থাকে, তবে ভালো বা মন্দের জন্য মানুষকে কেন দায়ী হবে?
নবীদের দোয়াগুলো পাশাপাশি রাখলে একটা মিল চোখে পড়ে। তাঁরা কেউ দীর্ঘ আরজি করেননি। শুধু নিজের অসহায়ত্ব প্রকাশ করে অপেক্ষা করেছেন আল্লাহর সাহায্যের।
ফিতরাতি বাস্তুবিদ্যার জ্ঞানতত্ত্ব অনুযায়ী সত্যের উৎস এক এবং সব সহি জ্ঞান অবশেষে একই হাকিকতের দিকে অগ্রসর হয়; এই প্রেক্ষাপটে সত্যের মানদণ্ড ও যাচাইকরণ পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা।
ভৌগোলিক বা শারীরিকভাবে মক্কা থেকে মদিনায় হিজরতের নির্দিষ্ট সময় ও ফজিলত অতীত ইতিহাসে পূর্ণতা পেলেও, হিজরতের আত্মিক দরজা কিন্তু কেয়ামত পর্যন্ত খোলা রয়েছে।
সময় ব্যবস্থাপনা মানে দৈনন্দিন কর্মঘণ্টাকে সুপরিকল্পিতভাবে সাজিয়ে কম সময়ে বেশি কাজ করার একটা দক্ষতা। আজ এমন কিছু অভ্যাসের কথা বলা হলো।
সলামের দৃষ্টিতে সবচেয়ে বড় ক্ষতি হলো এমন একটি দিন পার করে দেওয়া, যেদিনে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য বা মানবতার কল্যাণে কোনো আমল করা হয়নি।
বর্তমান বিশ্বে প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঘনঘটার কারণ এবং এর ধর্মীয় তাৎপর্য নিয়ে আলোচনা করেছেন মুফতি মাওলানা শাঈখ মুহাম্মাদ উছমান গনী।
ইসলামি দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে স্টেরয়েড–সংস্কৃতি আসলে একটা বিশ্বাসঘাতকতা নয়, এটা একই সঙ্গে তিনটা ভিন্ন স্তরে আমানত ভাঙে। নিচে সেই তিনটা স্তর দেখানো হলো।
এক জুমার দিন নবীজি (সা.) মদিনায় খুতবা দিচ্ছিলেন। এক ব্যক্তি এসে বলল, ‘হে আল্লাহর রাসুল, বৃষ্টি না হওয়ায় দুর্ভিক্ষ দেখা দিয়েছে, আপনি আমাদের জন্য বৃষ্টির দোয়া করুন।’
পার্থিব প্রতিযোগিতার এই যুগে আমাদের সবচেয়ে বড় প্রয়োজন হলো নিজেকে জিজ্ঞেস করা—আমি কিসের পেছনে ছুটছি? মানুষের প্রশংসা, নাকি আল্লাহর সন্তুষ্টি?
মানবচরিত্রের ‘গিবত’ ও ‘তুহমাত’—পরনিন্দা ও অপবাদের পরিণতি এবং ইসলামি নির্দেশনা ও হাদিসের আলোকে আলোচনা।
সন্তানকে প্রকাশ্যে স্নেহ দেখানো, নামাজের মতো গুরুত্বপূর্ণ ইবাদতের মাঝেও তার আরাম নিশ্চিত করা—এসব ছোট ছোট আচরণই একটি শিশুর মনে নিরাপত্তাবোধ তৈরি করে।