
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসনে জোনায়েদ সাকি ৫৫ হাজার ভোটের ব্যবধানে জয়ী
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসনে বিএনপি–সমর্থিত প্রার্থী গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি ৯৫ হাজার ৩৪২ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসনে বিএনপি–সমর্থিত প্রার্থী গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি ৯৫ হাজার ৩৪২ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন।

নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর চেয়ে ১ লাখ ২০ হাজার ৯৬১ ভোট বেশি পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হন বিএনপির প্রার্থী মো. লুৎফুজ্জামান বাবর।

ময়মনসিংহ-৮ (ঈশ্বরগঞ্জ) আসনে জয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী লুৎফুল্লাহেল মাজেদ। ধানের শীষের প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৭ হাজার ৫৭৭ ভোট।

হেভিওয়েট প্রার্থীদের মধ্যে কেন্দ্রীয় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুস সালাম পিন্টু ও আহমেদ আযম খান, প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন (টুকু) জয়ের পথে আছেন তিনি।

টাঙ্গাইল-৭ (মির্জাপুর) আসনে বিএনপির প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী বিপুল ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন।

পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসনে জয়ী হওয়ায় বিএনপি জোটের প্রার্থী ও গণঅধিকারের সভাপতি নুরুল হককে (নুর) অভিনন্দন জানিয়েছেন তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্ব হাসান মামুন।

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার একাধিক কেন্দ্রে ভোটারদের মধ্যে উৎসবের আমেজ দেখা গেছে।

একরামুন্নেছা বালক উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোটার সংখ্যা অন্য এলাকার তুলনায় বেশি।

বগুড়ার সাতটি আসনের মধ্যে সবকটিতে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীরা এগিয়ে রয়েছেন। এর মধ্যে বগুড়া-৬ (সদর) আসনে আংশিক ফলাফলে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান দ্বিগুণ ভোটে এগিয়ে রয়েছেন।

উৎসবের আমেজে হয়ে গেল ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ভোট গ্রহণ। ভোটের মাঠে তেমন অস্থিরতা ছিল না, তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক আগের মতোই অস্থির ছিল নানা অপতথ্যে।

সুনামগঞ্জের পাঁচটি আসনেই বিএনপির প্রার্থীরা এগিয়ে আছেন। এর মধ্যে চারটিতে ধানের শীষ প্রতীকের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা, অন্যটিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী।

নারায়ণগঞ্জ-৪ (নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার একাংশ) আসনে ভোট গ্রহণ শেষে একটি ভোটকেন্দ্রে স্বতন্ত্র প্রার্থীর প্রবেশকে কেন্দ্র করে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়।