যুদ্ধ নাকি শান্তিচুক্তি, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র কোন পথে হাঁটছে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান শান্তির জন্য প্রস্তাব ও পাল্টা প্রস্তাব দিলেও ছোটখাটো সংঘাত চলছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান শান্তির জন্য প্রস্তাব ও পাল্টা প্রস্তাব দিলেও ছোটখাটো সংঘাত চলছে।
চলতি বছরের শুরুর দিকে যখন মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত ছড়িয়ে পড়ল এবং হরমুজ প্রণালি হুমকির মুখে পড়ল, তখন জ্বালানি আমদানিকারক অধিকাংশ দেশ বড় ধরনের সংকটে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়।
ঈদুল আজহার আগের দিন মুসলমানদের সামনে মূল প্রশ্নটি হলো—তাঁরা কোনো ধরনের তল্লাশি, সংঘাত বা জনসাধারণের বৈরী আচরণের মুখোমুখি না হয়ে শান্তিতে নামাজ আদায় করতে পারবেন কি না।
যুদ্ধবিরতি ভেঙে ইরানে বোমা হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে বড় সংঘাত এড়াতে দুই দেশই এখনো আলোচনার টেবিলে রয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র ইরাকের তেল উপমন্ত্রী আলি মারিজ আল-বাহাদলি এবং ইরানপন্থী মিলিশিয়া নেতাদের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। অভিযোগ, তারা মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ভঙ্গ করে ইরানকে তেল চোরাচালানে সাহায্য করছে। এ সময় ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত তীব্র।
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে বিজয়ী বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীর ব্যক্তিগত সহকারী চন্দ্রনাথ রথকে বুধবার রাতে উত্তর ২৪ পরগনায় গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। ঘটনায় আরও একজন গুরুতর আহত হয়েছেন এবং এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে। নির্বাচনের পর রাজ্যে চলমান সহিংসতার মধ্যে এই হত্যাকাণ্ড সংঘাত আরও তীব্র করতে পারে।
গাজী ও দক্ষিণ রায়ের সেই আধ্যাত্মিক ও সামরিক সংঘাত থেকেই জন্ম নিল সুন্দরবনের আরেক বড় বিশ্বাস—বনবিবির আখ্যান। মুন্সী বয়ানউদ্দীনের পুঁথি অনুযায়ী, বনবিবি ও তাঁর ভাই শাহ জাঙ্গলী এসেছিলেন মক্কা থেকে। তখন বনে বাঘরূপী দক্ষিণ রায়ের অত্যাচারে মানুষের জীবন ছিল ওষ্ঠাগত।
ইরান সংঘাত দীর্ঘমেয়াদি অচলাবস্থা তৈরি করেছে। যুদ্ধ সমাধানহীন থাকায় অর্থনৈতিক চাপ বাড়বে।
আলোচনার মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্য সংঘাত নিরসনে ভূমিকা রাখায় পাকিস্তানকে ধন্যবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ।
ইরানের হরমুজ প্রণালি অবরোধের মাধ্যমে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সরাসরি যুদ্ধ থেকে অর্থনৈতিক যুদ্ধের পথে হেঁটেছেন। এই কৌশল মূলত নতুন করে ইসরায়েলের সঙ্গে মিলে ইরানে হামলা করা ছাড়াই সংঘাত শেষ করার চেষ্টা।
হরমুজ প্রণালীতে চলমান অবরোধ বিশ্ব অর্থনীতিকে এক গভীর সংকটের মুখে ঠেলে দিয়েছে। বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল ও উল্লেখযোগ্য পরিমাণ এলএনজি এই পথ দিয়ে পরিবাহিত হওয়ায় এর অচলাবস্থা সরাসরি জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি করছে। তেলের দাম বৃদ্ধি, পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধি এবং সরবরাহ চেইনে ব্যাঘাত বিশ্বজুড়ে মূল্যস্ফীতি বাড়িয়ে তুলছে। এর পাশাপাশি আধুনিক যুদ্ধ কৌশলে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), ড্রোন প্রযুক্তি এবং অ্যালগরিদম-নির্ভর সিদ্ধান্ত গ্রহণ এই সংঘাতকে আরও জটিল করে তুলছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এটি শুধু সামরিক সংঘাত নয়, বরং অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তিগত আধিপত্যের লড়াই। হরমুজ সংকট দীর্ঘায়িত হলে খাদ্য নিরাপত্তা, শিল্প উৎপাদন এবং বৈশ্বিক বাজারে বড় ধরনের বিপর্যয় দেখা দিতে পারে। ফলে এই সংকটের দ্রুত সমাধান এখন শুধু আঞ্চলিক নয়, বৈশ্বিক প্রয়োজন হয়ে দাঁড়িয়েছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি সংঘাত শুরু হওয়ার পরপরই ইসলামাবাদ দ্রুত পদক্ষেপ নিতে শুরু করে