
সত্যজিৎ রায়ের প্রয়াণ দিবস আজ
সুকুমার ও উপেন্দ্রকিশোরের ধারাবাহিকতায় সত্যজিৎ রায়ের শিল্পযাত্রা ও তাঁর অনন্য সৃষ্টির ইতিহাস আজকের প্রয়াণ দিবসে স্মরণ করা হোক ছবির মাধ্যমে।

সুকুমার ও উপেন্দ্রকিশোরের ধারাবাহিকতায় সত্যজিৎ রায়ের শিল্পযাত্রা ও তাঁর অনন্য সৃষ্টির ইতিহাস আজকের প্রয়াণ দিবসে স্মরণ করা হোক ছবির মাধ্যমে।

বিশেষ হয়ে উঠেছে দুই বাংলার দুই গুণী শিল্পীর উপস্থিতিতে। এ ধরনের আয়োজন শুধু গান শোনার নয়, এটি একে অন্যকে আরও ভালোভাবে জানার ও বোঝার সুন্দর সুযোগ।

তেমন একটা শীত পড়েনি। সাটিয়াজুরী স্টেশনে কোনো দারোগা জনাকয়েক বন্দুকধারী কনস্টেবল সঙ্গে নিয়ে ওয়ারেন্ট হাতে অপেক্ষায় দাঁড়িয়েও নেই।

ঝড় উঠুক, উঠুক অনিবার্য কোনো নিয়তির মতো বৈশাখের উন্মত্ত নিশ্বাসে ভেঙে যাক মানুষের অহংকারে গড়া দালান, ধূলিসাৎ হোক ইট-কাঠের সভ্যতার মিথ্যা গৌরব, আছড়ে পড়ুক বৃক্ষেরা—

আজকের আলোচনার শিরোনামে তিনটি শব্দ আছে: ‘সংস্কৃতি’, ‘বাংলাদেশ’ ও ‘খোঁজ’। ‘সংস্কৃতি’ বলতে সাধারণ মানুষেরা বোঝেন শিল্পসাহিত্য।

এ পথের অর্ধেক আলোয় অন্ধ কিছু কাক ক্রমে উড়ে যায়, যখন সন্ধ্যা ধীরে পথ থেকে নেমে পথহীনতায় যেতে থাকে তবু কিছু ছেঁটে ফেলা ঝোপঝাড়ে নাগরিক জোনাকিগুলো

ভোর হয় ধীরে, দোতারা খঞ্জনি কত কী বাতাসে বটতলে বাউলের জলসায় আজ কে না যাবে, ঘুঙুরের শব্দে গাঢ় অন্ধকার ফিকে হয় যুবক-যুবতীরা উত্তাল, ঘাসবন ফুঁড়ে উঠে আসে।

আর যদি বাঙালি মুসলমান সমাজের পক্ষ থেকে ধরি, তাহলে বলতে হয়, তিনি মুসলমানদের মধ্যে ‘বাঙালি’ পরিচয় উচ্চকিত করা অন্যতম প্রধান ব্যক্তিত্ব।

মনোজ অধিকারীর চোখের দিকে তাকিয়ে মৃদু স্বরে বলল সুবর্ণা, ‘কাশিমপুর কত দূর! কেমনে যামু ওইখানে?’

তিন হাজার বছরের ধারাবাহিক সভ্যতার উত্তরাধিকারী পারস্য বা ইরানের ক্ষেত্রে নববর্ষ উদ্যাপন একইভাবে সর্বজনীন ও আনন্দমুখর।

বাংলার ‘ভাবসম্পদ’ বলতে আমরা যদি কেবল সাহিত্য, সংগীত বা শিল্পকলার ভান্ডার বুঝি, তাহলে আমরা এই বিশেষ ধরনের সম্পদের চরিত্র, গভীরতা ও রাজনৈতিক তাৎপর্যকে সীমিত করে ফেলি।

রাজধানীর মীনা বাজারের সামনে থেকে শোভাযাত্রা শুরু হয়ে ধানমন্ডি ২৭–এর প্রধান সড়ক ঘুরে আবার মীনা বাজারের সামনে এসে শেষ হয়।