যুক্তরাষ্ট্র পারমাণবিক হামলা চালালে পরদিন সকালে বিশ্বজুড়ে মার্কিন ঘাঁটিগুলো দখল করা হবে
ইরানে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে হামলা চালানোর মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে রক্তক্ষয়ী মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ।
ইরানে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে হামলা চালানোর মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে রক্তক্ষয়ী মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ।
শনিবার সকাল ৯টা ২৭ মিনিটে রাজধানী তেহরানে ধারাবাহিকভাবে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।
ইরানের মধ্যাঞ্চল ও পশ্চিমাঞ্চলে সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানোর দাবি করেছে ইসরায়েল।
গত বৃহস্পতিবার ইরান নিয়ে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে আলোচনা।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ৪০ দিনের হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিসহ শীর্ষ ছয় নেতার মৃত্যু নিশ্চিত। সামরিক, গোয়েন্দা ও প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে বড় ধাক্কা খেয়েছে ইরান। দুই দেশ দাবি করেছে, ৫০-এর বেশি নেতা নিহত।
হরমুজ প্রণালি অচল হয়ে পড়ায় চরম অর্থনৈতিক ও সামাজিক সংকটের মুখে পারস্য উপসাগরীয় রাষ্ট্রগুলো।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের তেল দখলকে তাঁর প্রধান অগ্রাধিকার বলে ঘোষণা করেছেন। ফিন্যান্সিয়াল টাইমসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি খারগ দ্বীপ দখলের সম্ভাবনা তুলে ধরেন। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি জোরদার হয়েছে এবং তেলের দাম আকাশছোঁয়া।
বর্তমান যুদ্ধের সময় দুই মাসের কম, স্থলযুদ্ধ প্রায় হয়নি বললেই চলে, বন্দী নেই, আর আলোচনায় আসতে হবে মূলত দুই পক্ষকেই। ফলে কূটনীতি কিছুটা সহজ মনে হতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে হওয়া যুদ্ধবিরতি শেষ পর্যন্ত স্থায়ী কূটনৈতিক সমাধানে যাবে কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়। তবে দুটি বিষয় ইতিমধ্যেই পরিষ্কার। এক. যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত বিশ্বাসযোগ্যতা বড় ধাক্কা খেয়েছে। দুই. উপসাগরীয় দেশগুলো এক কঠিন ও অস্বস্তিকর অবস্থায় পড়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র–ইরানের মধ্যে দ্বিতীয় দফার বৈঠকের জন্য জোর চেষ্টা চলছে।
রুবিও বলেন, স্থলবাহিনী ছাড়াই যুক্তরাষ্ট্র তাদের লক্ষ্য অর্জন করতে পারবে।
ইরান ইসলামি প্রজাতন্ত্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করছে যুক্তরাষ্ট্র। এই যুদ্ধের নেতৃত্বে রয়েছেন মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ।